● সোমবার, এপ্রিল 22, 2024 | 09:56 অপরাহ্ন

আজ পবিত্র আশুরা

আজ পবিত্র আশুরা

আজ মঙ্গলবার ৯ আগস্ট, ২৫ শ্রাবণ ১৪২৯, ১৪৪৪ হিজরী মহরমের ১০ তারিখ পবিত্র আশুরা। আরবি ‘আশারা’ শব্দের অর্থ দশ। আর আশুরা মানে দশম। আশুরা মুসলিম জাতির কাছে একটি অবিস্মরণীয় দিন। সৃষ্টির শুরু থেকে মহররমের ১০ তারিখে তথা আশুরার দিনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। ফলে আশুরার মর্যাদা ও মাহাত্ম্য উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেয়েছে

পবিত্র আশুরা এলেই মুসলিম জাতিরা আনন্দের জোয়ারে মেতে ওঠে। কারণ এদিন হলো মুসলমানদের বিজয়ের দিন। বিভিন্ন কারণে এদিনটিকে মুসলিমদের বিজয়ের দিন বলা হয়। যেমন-

✓ আসমান ও যমীন সৃষ্টি করা হয়েছিল।
✓ হযরত আদম (আ:) কে পৃথিবীর প্রথম মানুষ হিসাবে সৃষ্টি করা হয়েছিল।
✓ হযরত আদম (আ:) কে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয় এবং ভুলের কারণে আবার পৃথিবীতে প্রেরন করা হয়।
✓ আল্লাহ স্বয়ং নবীদেরকে স্ব স্ব শত্রু হতে নিজে আশ্রয় প্রদান করেছিলেন।
✓ হযরত মুসা (আ:) এর শত্রু ফেরাউনকে লোহিত সাগরে (ভুল তথ্য- নীলনদ ) ডুবিয়ে দেয়া হয়েছিল।
✓ হযরত মুসা (আ:) তুর পাহাড়ে আল্লাহর সাথে কথোপকথন ও আসমানী কিতাব “তাওরাত” লাভ করেছিলেন।
✓ হযরত নুহ (আ:) ও তার সঙ্গীদের মহাপ্লাবন ও ঝড়ের কবল থেকে রক্ষা করা হয়েছিল।
✓ হযরত ইউনুস (আ:) মাছের পেট হতে পরিত্রান পান।
✓ হযরত দাউদ (আ:)এর তওবা কবুল করা হয়েছিল।
✓ হযরত আইয়ুব (আ:)দুরারোগ্য কুষ্ঠব্যাধি থেকে মুক্তি ও সুস্থতা লাভ করেছিলেন।
✓ হযরত ঈসা (আ:)এর জন্ম ও আল্লাহ্ তাঁকে সশরীরে আসমানে উঠিয়ে নিয়েছিলেন।
✓ হযরত ইব্রাহিম (আ:)-জাতির পিতা, জন্মগ্রহণ করেন এবং নমরুদের বিশাল অগ্নিকুন্ড হতে মুক্তি লাভ করেছিলেন।
✓ হযরত ইদ্রিস (আ:)কে বিশেষ মর্যাদায় চতুর্থ আসমানে উঠিয়ে নেয়া হয়েছিল।
✓ হযরত ইউসুফ (আ:)এর সুদীর্ঘ ৪০ বছর পর তাঁর পিতা হযরত ইয়াকুব (আ:)এর সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছিল।
✓ হযরত সোলায়মান (আ:) সাময়িক রাজত্ব হারিয়েছিলেন এবং এই দিনে রাজত্ব ফিরে পান।
✓ কথিত আছে যে,কাবা শরীফ সর্বপ্রথম গিলাফ দ্বারা আবৃত করা হয়।
✓ প্রচলিত আছে যে,এই দিনটিতেই কেয়ামত সংঘটিত বা পৃথিবী ধ্বংস হবে।

এছাড়া ৬১ হিজরী সনের ১০ মহরম এই দিনটিতে হযরত মুহাম্মদ (সা:)-এর প্রাণ প্রিয় দৌহিত্র হযরত ইমাম হোসাইন (রা:) ও তার পরিবারের সদস্যরা কারবালার ময়দানে শহিদ হন। এটা সকল মুসলিমের কাছে বেদনায়ক। কিন্তু হযরত ইমাম হোসাইন (রা:)-এর কারবালায় শহীদ হওয়ার ঘটনাটি পরে যুক্ত হয়। অথচ আশুরা বলতেই আমরা বলে উঠি, এটা ইমাম হোসাইনের শহীদের দিন!

এই দিন আল্লাহ রব্বুল আলামিনের কাছে খুবই প্রিয়। তাই তিনি এই দিনে রোজা পালনের সওয়াব প্রদান করে থাকেন বহুগুণে। মুসলমানদের কাছে বিগত বছরের গোনাহের কাফফারা হিসেবে মহরমের দুটি রোজা রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। হযরত আবু হুরায়রাহ (রা) থেকে বর্ণিত, হযরত মুহাম্মদ (সা:) বলেছেন, রমজানের পর সর্বোত্তম রোজা হলো আল্লাহর প্রিয় মহরম মাসের রোজা এবং ফরজ নামাজের পর সর্বোত্তম নামাজ হলো রাতের (তাহাজ্জুদ) নামাজ (সহিহ মুসলিম)।

এই সম্পর্কিত আরও

আবুল কালাম
বিস্তারিত...
 আরবে ঈদের তারিখ ঘোষণা
বিস্তারিত...
813788_175
বিস্তারিত...
রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান
বিস্তারিত...
জান্নাতের ফুল
বিস্তারিত...
কাজী নজরুল ইসলাম
বিস্তারিত...