● সোমবার, জুলাই 22, 2024 | 06:00 অপরাহ্ন

তাহাজ্জুদ নামাজ

আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করার এক উত্তম পন্থা তাহাজ্জুদ নামাজ

মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন আমাদেরকে সবচেয়ে সম্মানিত মাখলুকাত হিসেবে সৃষ্টি করেছেন। আর তাই আমাদের কর্তব্য তাঁর বান্দা হিসেবে প্রতিদিন বাধ্যতামূলক আল্লাহর ইবাদত বন্দেগী করা।

আল্লাহ তা’আলার ইবাদত করার অনেক মাধ্যমে রয়েছে, যার একটি হলো নামাজ। আর নামাজের মধ্যে সর্বোত্তম ও সর্বোৎকৃষ্ট হচ্ছে তাহাজ্জুদের নামাজ। ৫ ওয়াক্ত নামাজের পূর্বে তাহাজ্জুদের নামাজ নবী করিম সা:-এর ওপর ফরজ ছিল। তাই তিনি কখনো তাহাজ্জুদের নামাজ পড়া থেকে বিরত থাকেন নি।

তাহাজ্জুদ নামাজ আদায়ের গুরুত্ব অপরিসীম। আরবিতে ‘তাহাজ্জুদ’ শব্দের আভিধানিক অর্থ রাত জাগরণ বা নিদ্রা ত্যাগ করে রাতে নামাজ পড়া।

মানুষ মধ্যরাতে গভীর নিদ্রায় আচ্ছন্ন থাকে। সুবহে সাদিক হয়ে গেলে এ নামাজ আর পড়া যায় না। যদি রাত দ্বিপ্রহরের পর নিদ্রা থেকে জাগ্রত হওয়ার সম্ভাবনা না থাকে, তাহলে এশার নামাজের পর এবং বিতরের আগে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়া অবকাশ রয়েছে। অবশ্য তাহাজ্জুদ নামাজ রাত দ্বিপ্রহরের আগে পড়লে সওয়াব কম পাওয়া যায়। রাতের শেষাংশে পড়লে সওয়াব বেশি পাওয়া যায়।

রাসূলুল্লা (সাঃ)-কে সম্বোধন করে পবিত্র কুরআনে আল্লাহ পাক বলেন, ‘এবং রাতের কিছু অংশ তাহাজ্জুদ পড়তে থাকুন। এ আপনার এক অতিরিক্ত কর্তব্য। আশা করা যায়, আপনার প্রভু আপনাকে মাকামে মাহমুদে অধিষ্ঠিত করবেন।

হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, নবী করিম (সাঃ) বলেছেন, ‘আল্লাহ তা’আলা ওই ব্যক্তির ওপর রহমত নাজিল করেন, যে ব্যক্তি রাতে নিদ্রা থেকে জেগে তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করেন এবং তার স্ত্রীকে নিদ্রা থেকে জাগিয়ে দেন। অতঃপর তিনি (তার স্ত্রী) তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করেন। এমনকি যদি তিনি (স্ত্রী) ঘুম থেকে জাগ্রত হতে না চান, তাহলে তার মুখে পানি ছিটিয়ে দেন।’ -আবু দাউদ ও নাসাঈ

আল্লাহ তা’আলার সন্তুষ্টি লাভ করার উত্তম পন্থা হলো তাহাজ্জুদের নামাজ। এ জন রাসূলুল্লাহ (সাঃ) কখনো বিনা ওজরে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়া ছাড়তেন না। সাহাবিরাও নিয়মিত তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করতেন।

এই সম্পর্কিত আরও

কাবার চাবি
বিস্তারিত...
হজ-2025
বিস্তারিত...
খিলাফত
বিস্তারিত...
office-course
বিস্তারিত...
আবুল কালাম
বিস্তারিত...
সৌদি আরবে ঈদের তারিখ ঘোষণা
বিস্তারিত...