1. faysalislam405@gmail.com : ফয়সাল ইসলাম : ফয়সাল ইসলাম
  2. tajul.islam.jalaly@gmail.com : তাজুল ইসলাম জালালি : তাজুল ইসলাম জালালি
  3. marufshakhawat549@gmail.com : মারুফ হোসেন : মারুফ হোসেন
  4. sheikhmustakikmustak@gmail.com : Sheikh Mustakim Mustak : Sheikh Mustakim Mustak
  5. najmulnayeem5@gmail.com : নাজমুল নাঈম : নাজমুল নাঈম
  6. rj.black.privateboy@gmail.com : rjblack :
  7. saddam.samad.24@gmail.com : সাদ্দাম হোসাইন : সাদ্দাম হোসাইন
  8. samirahmehd1997@gmail.com : Samir Ahmed : Samir Ahmed
রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:২৯ অপরাহ্ন

আষাঢ়ের আগমনে বর্ষার প্রথম দিন বৃষ্টি দিয়ে সূচনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিতঃ মঙ্গলবার, ১৫ জুন, ২০২১
  • ১৪১ বার পড়া হয়েছে
Rain

জৈষ্ঠ্য শেষ করে আজ আষাঢ় মাসের প্রথম দিন। তার সাথে শুরু হলো প্রিয় ঋতু বর্ষা। যদিও কয়েক দিন আগে থেকেই ঝড়-বৃষ্টি হচ্ছে। কিন্তু সেই বৃষ্টিতে আষাঢ় বা বর্ষার কোনো ছোয়া ছিল না। বর্ষার আগমনে আজ মঙ্গলবার (১৫ জুন) ভোর থেকেই রাজধানীতে থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এবার আষাঢ়ের প্রথম দিন রাজধানী ঢাকা সহ দেশের বেশ কিছু জেলায় বৃষ্টি হবে। পূর্বাভাস অনুযায়ী ঢাকা, বরিশাল, খুলনা ও চট্টগ্রাম বিভাগ এবং সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। তার সাথে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণও হতে পারে।

বাংলা সনের তৃতীয় মাস আাষাঢ়। আষাঢ় মাস হয় জুন-জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময়ে। আষাঢ় ও শ্রাবণ দুই মাস বর্ষাকাল। আর বর্ষাকাল মানেই মেঘ, বৃষ্টি, প্রেম, নতুন প্রাণ, জেগে ওঠার গান। এ মাসে প্রচুর বৃষ্টি হয়। আষাঢ়ের আগে জৈষ্ঠ্য মাসের গ্রীষ্ম ঋতুতে প্রচুর গরম পড়ে। জনজীবন অতিষ্ট হয়ে পড়ে। আষাঢ় মাসের বর্ষা ঋতুতে বৃষ্টির ছোঁয়ায় বাংলার প্রকৃতি যেন পুরোদমে তার প্রাণ ফিরে পায়। নতুন রূপে সেজে ওঠে প্রকৃতি। গ্রীষ্মের রুদ্র প্রকৃতির গ্লানির অবসান ঘটিয়ে প্রশান্তি স্নিগ্ধতা আর সবুজে ভরে তোলে বর্ষাকাল। বর্ষা আমাদের মনকে স্নিগ্ধ করে তোলে।

বর্ষা এলেই বাঙালির মন আনন্দময় হয়ে ওঠে। বর্ষার শিহরনে চারিদিকে প্রকৃতি তার সকল সৌন্দর্য ফুটিয়ে তোলে। বর্ষায় আবেগ ও অনুভূতির জোয়ারে ভাসেননি এমন কবি, সাহিত্যিক পাওয়া যায় না। শুধু যে কবি-সাহিত্যিক, তা নয়-সাধারণ মানুষও এর অনুভূতির জোয়ারে ভেসে যায়। বর্ষার পানিতে নদীনালা, খালবিল ভরে ওঠে। সেখানে নতুন প্রাণের সঞ্চার হয়। তাই বর্ষা আমাদের জন্য আশীর্বাদ। এক পশলা বৃষ্টি যে নতুন মাত্রা নিয়ে আসে তা অন্যকিছুতেই পাওয়া যায় না।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ‘আষাঢ় কবিতায় বলেছেন, ওই ডাকে শোনো ধেনু ঘনঘন, ধবলীরে আনো গোহালে। এখনি আঁধার হবে বেলাটুকু পোহালে। দুয়ারে দাঁড়ায়ে ওগো দেখ দেখি মাঠে গেছে যারা তারা ফিরিছে কি, রাখালবালক কী জানি কোথায় সারা দিন আজি খোয়ালে। এখনি আঁধার হবে বেলাটুকু পোহালে। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কাছে বর্ষাকে মনে হয়েছে ‘বাদলের পরী’। তিনি লিখেছেন: রিমঝিম রিমঝিম ঘন দেয়া বরষে/কাজরি নাচিয়া চল, পুর-নারী হরষে…।’

আমাদের জন্য আষাঢ় মাসের বর্ষা ঋতু অপরিহার্য ভূমিকা রাখে। ক্ষেতের ফসল, শস্যাদি করার জন্য বৃষ্টির প্রয়োজন। বৃষ্টি না হলে গাছপালা-তরুলতা শুকিয়ে যাবে। বেড়ে উঠবে না প্রাণ। বৃষ্টির অভাবে মাটি অনুর্বর হয়ে যায়, তখন বর্ষা এলে মাটি উর্বরতা ফিরে পায়। আমাদের দেশের মাঠ, ঘাট, নদী-নালা বর্ষায় কারণে সবুজে শ্যামলে ভরপুর হয়ে যায়।

বর্ষাকাল গ্রামের মানুষকে অনেক বেশি ঘরমুখো করে তোলে। রমণীরা ঘরে বসে নকশিকাঁথায় ফুল তোলে। অনেকটা আলস্যে কেটে যায় দিন। তবে বর্ষায় শহরের রাস্তাঘাট অল্প বৃষ্টিতেই তলিয়ে যায়, যা মানুষের ভোগান্তি বাড়ায়। অতি বর্ষণে দেখা দেয় নদীভাঙন ও বন্যা।

শহরের ব্যস্তময় ক্লান্তির যান্ত্রিক জীবনে কিছুটা হলেও বর্ষা তার প্রভাব ফেলে। বৃষ্টি শহরের ধুলোবালিকে বিনাশ করে। যার ফলে কিছুদিনের জন্য হলেও ভালোভাবে বসবাস, চলাফেরা করা যায়। যদিও এই সময় বর্ষার কবলে পড়ে নানান রকম সমস্যা দেখা দেয়। তবুও মানুষ আনন্দ বোধ করে। বর্ষায় ফোটে কদম ফুল, যা বর্ষার রূপকে আরও বাড়িয়ে দেয়। তার সাথে ফোটে কেতকী। অন্যদিকে বাংলার কৃষি ও অর্থনীতি বৃষ্টিনির্ভর। যথাযথ বৃষ্টিপাত ফসল ফলাতে সহায়তা করে।

বিজ্ঞাপন





শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই সম্পর্কিত আরও
© ২০২১ - সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । হক কথা ২৪.নেট
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )