1. faysalislam405@gmail.com : ফয়সাল ইসলাম : ফয়সাল ইসলাম
  2. tajul.islam.jalaly@gmail.com : তাজুল ইসলাম জালালি : তাজুল ইসলাম জালালি
  3. marufshakhawat549@gmail.com : মারুফ হোসেন : মারুফ হোসেন
  4. sheikhmustakikmustak@gmail.com : Sheikh Mustakim Mustak : Sheikh Mustakim Mustak
  5. najmulnayeem5@gmail.com : নাজমুল নাঈম : নাজমুল নাঈম
  6. rj.black.privateboy@gmail.com : rjblack :
  7. saddam.samad.24@gmail.com : সাদ্দাম হোসাইন : সাদ্দাম হোসাইন
  8. samirahmehd1997@gmail.com : Samir Ahmed : Samir Ahmed
শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:৫৪ পূর্বাহ্ন

ইতিহাসের দীর্ঘতম বছর ১৯৭২, কেন জানেন?

সাদ্দাম হোসাইন
  • প্রকাশিতঃ বৃহস্পতিবার, ৫ আগস্ট, ২০২১
  • ৭৭ বার পড়া হয়েছে
ইতিহাসের দীর্ঘতম বছর
ইতিহাসের দীর্ঘতম বছর

ছোট থেকেই আমরা জানি পৃথিবী তার নিজের অক্ষের চারপাশে ঘুরতে সময় লাগে ২৪ ঘণ্টা এবং সূর্যের চারপাশে ঘুরতে সময় লাগে ৩৬৫ দিন। পৃথিবীর এই ঘোরার ওপর নির্ভর করেই দিনরাত, জোয়ার-ভাটা এবং ঋতু পরিবর্তনের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক বিষয়গুলো ঘটে থাকে।

পৃথিবীর এই গতি সবসময় নির্দিষ্ট নয়। কখনো বেড়ে যায় আবার কখনো কমে যায়। বেশকিছু প্রাকৃতিক বিষয় পৃথিবীর এই গতি বাড়া বা কমার জন্য দায়ী। পৃথিবী নিজের অক্ষের চারপাশে ঘুরতে যে সময় লাগে ২৪ ঘন্টা সেটাকে ভিত্তি করে আন্তর্জাতিক সময় নির্ধারণ করা হয়ে থাকে। ২৪ ঘন্টায় ৮৬ হাজার ৪’শ সেকেন্ড হয়।

গবেষণায় জানা যায়, পৃথিবীর গতি বেড়ে বা কমে গিয়ে সর্বোচ্চ ২সেকেন্ডের পার্থক্য হয়। তবে এর সঠিক বিন্যাস না করলে আমাদের স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব না পড়লেও প্রতিদিনকার জীবনযাত্রায় ভীষণ ক্ষতি সাধন হতে পারে। অনেক সময় দেখা যায়, রাত ১২টার সময় ঘড়িতে সময় দেখাচ্ছে দুপুর তিনটা।

পৃথিবীর গতি আর আমাদের ব্যবহার করা ঘড়ির সময়ের সামঞ্জস্য একসাথে আনাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। তাই সামান্য কিছু সময় বিশ্বের সমস্ত ঘড়ির সময়ের বদল করাটাও জরুরি।

বিশ্বজুড়ে ঘড়ির সময় নির্ধারণের মাপকাঠি হিসেবে অ্যাটমিক ঘড়ি এবং কোঅর্ডিনেটেট ইউনিভার্সাল টাইম বা ইউটিসি এই দুই ধরনের ঘড়ি ব্যবহার করা হয়। ইউটিসি-কে গ্রিনিচ গড় সময়ের উত্তরসূরি বলা হয়।

এবার ওই বাড়তি দু’সেকেন্ডকে বিজ্ঞানীরা জেনেবুঝেই পৃথিবীর আহ্নিক গতির সাথে সামঞ্জস্য রাখার জন্য নির্দিষ্ট সময় অন্তর বছরের কোনও একটি দিনের এক মিনিটে ৬০ সেকেন্ডের সঙ্গে আরও এক সেকেন্ড সময় যোগ করে দিয়েছেন। ফলে সেক্ষেত্রে ওই নির্দিষ্ট মিনিটে ৬০-এর বদলে ৬১টি সেকেন্ড হবে।

আর বছরের এই বাড়তি এক সেকেন্ডকেই বলা হয় লিপ সেকেন্ড। আন্তর্জাতিক আর্থ রোটেশন অ্যান্ড রেফারেন্স সিস্টেমস সার্ভিস নির্ধারণ করে যে, কোন বছর লিপ সেকেন্ড ঘড়িতে যোগ করা হবে।লিপ সেকেন্ড যোগ করা শুরু হয় ১৯৭২ সাল থেকে। ৩০ জুন এবং ৩১ ডিসেম্বর— এই দুই দিনেই মূলত লিপ সেপেন্ড যোগ করা হয়।

সহজ করে বোঝাতে গেলে এই সময় এক সেকেন্ডের জন্য ঘড়িকে থামিয়ে দেওয়া হয়। লিপ সেকেন্ড যোগ করার বছরে অনেক আগে থেকেই ঘোষণা করে দেওয়া হয়।

১৯৭২ সালই একমাত্র বছর যেই বছরে ৩০ জুন এবং ৩১ ডিসেম্বর দু’বার লিপ সেকেন্ড যোগ করা হয়েছিল। ফলে ১৯৭২ সালে অন্যান্য বছরের তুলনায় দু’সেকেন্ড বেশি ছিল। ১৯৭২ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত মোট ২৭ বার লিপ সেকেন্ড যোগ হয়েছে। ১৯৭২ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত ৩১ ডিসেম্বরে লিপ সেকেন্ড যোগ করা হয়েছিল।

পরে ১৯৮০ সালে কোনও লিপ সেকেন্ড যোগ করা হয়নি। তারপর ১৯৮১ থেকে ১৯৮৩ পর্যন্ত ৩০ জুন যোগ করা হয়। ১৯৮৪ সালে ফের কোনও লিপ সেকেন্ড যোগ করা হয়নি।

তারপর ১৯৮৫, ১৯৮৭, ১৯৮৯, ১৯৯০, ১৯৯২, ১৯৯৩, ১৯৯৪, ১৯৯৫, ১৯৯৭, ১৯৯৮-এ একটি করে লিপ সেকেন্ড যোগ করা হয়েছিল এবং ২০০৫, ২০০৮, ২০১২, ২০১৫, ২০১৬-এ যোগ করা হয়েছিল।

২০১৬ সাল ছিল শেষ বছর। এরপর থেকে এখনও পর্যন্ত আর কোনও লিপ সেকেন্ড যোগ করা হয়নি। চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক আর্থ রোটেশন অ্যান্ড রেফারেন্স সিস্টেমস সার্ভিস যদি লিপ সেকেন্ড যোগ করার প্রয়োজন মনে করে তাহলে আগে থেকেই তা ঘোষণা করে জানিয়ে দেয়া হবে।

অনেক আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে লিপ সেকেন্ড বাদ দেওয়ার প্রস্তাব এসেছে। কারণ মিনিটে এক সেকেন্ড যোগ হওয়ার ফলে বহু কম্পিউটার সেই অতিরিক্ত সময় নিয়ন্ত্রণে করতে পারে না। ফলে সফটওয়্যারকে বহু সমস্যায় পড়তে হয়।

বিজ্ঞাপন





শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই সম্পর্কিত আরও
© ২০২১ - সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । হক কথা ২৪.নেট
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )