● বুধবার, মে 22, 2024 | 10:45 পূর্বাহ্ন

ইতেকাফ

ইতেকাফ কিছু প্রশ্ন ও এর ব্যাখ্যা

প্রশ্ন-১ঃ কোনো কারণে ইতেকাফকারীর রোযা নষ্ট হলে তার ইতেকাফ বাকি থাকবে কি?

ব্যাখ্যাঃ সুন্নত ও ওয়াজিব ইতেকাফের জন্য রোযা রাখা শর্ত তাই কোনো কারণে রোযা নষ্ট হয়ে গেলে ইতেকাফ ভেঙে যাবে। তারপরও যদি ইতেকাফের নিয়তে মসজিদে অবস্থান করে তবে নফল ইতেকাফের সওয়াব পাবে।

সুত্রঃ হিদায়া: ১/২১১, রদ্দুল মুহতার: ২/৪৪২।

প্রশ্ন-২ঃ ইতেকাফ অবস্থায় ঘর থেকে খাবার আনতে যাওয়া যাবে কি?

ব্যাখ্যাঃ উত্তম হলো খানা নিয়ে আসার জন্য কাউকে ব্যবস্থা করা। তবে কাউকে পাওয়া না গেলে ইতেকাফকারী নিজেই তার খানা নিয়ে আসতে পারবেন। কিস্তু প্রয়োজনাতিরিক্ত সময় বাইরে ব্যয় করা যাবে না।

সূত্র: রদ্দুুল মুহতার: ৩/৪৪০, ফাতাওয়া হাক্কানিয়া: ৪/২০৯, বাহরুর রায়েক: ২/৩০৩।

প্রশ্ন-৩ঃ ইতেকাফকারীর জন্য মসজিদে পেপার পত্রিকা পড়ার বিধান কী?

ব্যাখ্যাঃ ইতেকাফের মূল উদ্দেশ্য হলো, আল্লাহর সন্তুষ্টি ও তার নৈকট্য অর্জন করা। এ জন্য বেশি বেশি কুরআন তিলওয়াত ও তাসবীহ তাহলিল পাঠ করা চাই। আর পেপার পত্রিকা পড়ার মধ্যে সময় নষ্ট হয়। সাথে পেপার পত্রিকায় বিভিন্ন ধরনের ছবি থাকে যেগুলো মসজিদে নিয়ে যাওয়া সম্পূর্ন নাজায়েয। সুতরাং ইতেকাফ অবস্থায় এগুলোর থেকে বেঁচে থাকা জরুরি।

সূত্র: রদ্দুুল মুহতার: ২/৪৪৯, ফাতাওয়া হাক্কানিয়া: ৪/২০৭।

প্রশ্ন-৪ঃ ইতেকাফ অবস্থায় ভুলবশত কোন ব্যক্তি যদি মসজিদ থেকে বের হয়ে যায় তাহলে তার ইতেহকাফের হুকুম কী?

ব্যাখ্যাঃ ইতেকাফ অবস্থায় ভুলবশত মসজিদ খেকে বের হলে ইতেকাফ নষ্ট হয়ে যায়। সুতরাং তার ইতেকাফ নষ্ট হয়ে যাবে।

সূত্র: রদ্দুুল মুহতার: ৩/৪৩৭, ফাতাওয়া হাক্কানিয়া: ১৫/৩১৯।

প্রশ্ন-৫ঃ ইতেকাফ অবস্থায় অহেতুক কথা বলা যাবে কি না?

ব্যাখ্যাঃ ইতেকাফের মূল উদ্দেশ্য হলো, আল্লাহর সন্তুষ্টি ও তার নৈকট্য অর্জন করা। অতএব দ্বীনি কথা-বার্তা ও কুরআন, হাদিস নিয়ে মশগুল থাকা উচিত। তবে দুনিয়াবী কথা-বার্তা বলার কারণে ইতেকাফ নষ্ট হবে না।

সূত্র: কিতাবুল ফিকহ আলা মাজাহিবিল আরবায়া: ১/৫৮৯, ফাতাওয়া হাক্কানিয়া: ৪/১৯৮।

এই সম্পর্কিত আরও

আবুল কালাম
বিস্তারিত...
 আরবে ঈদের তারিখ ঘোষণা
বিস্তারিত...
রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান
বিস্তারিত...
813788_175
বিস্তারিত...
জান্নাতের ফুল
বিস্তারিত...
Muhammad (sm.)
বিস্তারিত...