1. faysalislam405@gmail.com : ফয়সাল ইসলাম : ফয়সাল ইসলাম
  2. tajul.islam.jalaly@gmail.com : তাজুল ইসলাম জালালি : তাজুল ইসলাম জালালি
  3. marufshakhawat549@gmail.com : মারুফ হোসেন : মারুফ হোসেন
  4. najmulnayeem5@gmail.com : নাজমুল নাঈম : নাজমুল নাঈম
  5. saddam.samad.24@gmail.com : সাদ্দাম হোসাইন : সাদ্দাম হোসাইন
বুধবার, ১৭ অগাস্ট ২০২২, ০৫:১৬ অপরাহ্ন

ইবলিশ শয়তান

সাদ্দাম হোসাইন
  • প্রকাশিতঃ রবিবার, ১১ জুলাই, ২০২১
  • ১৩৩ বার পড়া হয়েছে
Satan

ইবলিশ একসময় ফেরেশতাদের অন্তর্ভূক্ত ঠিল। তার নাম ছিলো আযাযিল। ৮০ হাজার বছর ফেরেস্তাদের সঙ্গী ছিলো! জান্নাতের কোষাধ্যক্ষ ছিল ৪০ হাজার বছর যাবত। ফেরেস্তাদের সরদার ছিলো ৩০ হাজার বছর। আরশে আজীমের তাওয়াফ করেছিলো ১৪ হাজার বছর যাবত এবং আল্লাহ তা’আলার ইবাদত করেছিল সাড়ে ৬ লক্ষ বছর! এমন কোনো স্থান ছিলো না যেখানে সিজদা করেনি।

সাত আসমানে তার সাতটি নাম ছিলো। প্রথম আসমানে নাম ছিলো আবেদ অর্থাৎ ইবাদাত কারী। দ্বিতীয় আসমানে যাহেদ অর্থাৎ তপস্বী। তৃতীয় আসমানে আরেফ অর্থাৎ আল্লাহ কে বেশি জানে। চতুর্থ আসমানে ওলি অর্থাৎ আল্লাহ তায়ালার বন্ধু। পঞ্চম আসমানে ত্বকী অর্থাৎ ধার্মিক। ষষ্ঠ আসমানে খ্বজান। সপ্তম আসমানে আজাজীল ছিলো আর এখন কিয়ামত পর্যন্ত তার নাম “ইবলিশ শয়তান” থাকবে। আল্লাহ তা’আলার সামনে অহংকার দেখিয়েছিলো। আর এই অহংকার তাকে কি থেকে কি বানিয়ে দিল।

এরাবিক মূল শব্দ “আব্লাসা” থেকে ‘ইবলিশ’ শব্দটি এসেছে। এর মুল অর্থ হলো হতাশ বানানোর অভিশপ্ত সত্তা। তাই ইবলিশের মানে হলো, “যে হতাশার জন্ম দেয়, মানুষের মনে দুঃখ -হতাশার অসওয়াদা দেয়। তাই যখন যে কোনো কারনে হতাশার ভাব দেখা দিবে তখন বুঝতে হবে যে, ইবলিশ শয়তানের নজর বা আছর পড়েছে। পবিত্র কুরআনে ইবলিশের অহংকার করার অনেক কাহিনী আছে। সুরা-বাকারাহ থেকে আয়াত-৩০, আল্লাহ তা’আলা বলেছিলেন, নিশ্চয় আমি যমীনে একজন খলীফা সৃষ্টি করতেছি’, তারা ফেরেশফেরেশতারা বলল, ‘আপনি কি সেখানে এমন কাউকে সৃষ্টি করবেন, যে দুনিয়ায় ফাসাদ করবে এবং রক্ত প্রবাহিত করবে? আর আমরা তো আপনার প্রশংসায় তাসবীহ পাঠ করতেছি এবং আপনার পবিত্রতা ঘোষণা করছি। আল্লাহ তায়ালা ফেরেশতাদের কথার উত্তরে বললেন, নিশ্চয় আমি যা জানি তোমরা তা জান না।

আয়াত ৩১-আর তিনি আদমকে নামসমূহ সব শিক্ষা দিলেন তারপর তা ফেরেশতাদের সামনে উপস্থাপন করলেন। সুতরাং বললেন, ‘তোমরা আমাকে এগুলোর নাম জানাও, যদি তোমরা সত্যবাদী হও’। আয়াত ৩২-তারা ফেরেশতারা বলল, ‘আপনি পবিত্র মহান। আপনি আমাদেরকে যা শিখিয়েছেন, তা ছাড়া আমাদের কোন জ্ঞান নেই। নিশ্চয় আপনি সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়’। আয়াত ৩৩-আল্লাহপাক বললেন, ‘হে আদম! তাদেরকে (ফিরিশতাদেরকে) এদের এ সব কিছুর নাম বলে দাও।’ অতঃপর যখন সে ফেরেশতাদেরকে সেসবের নাম বলে দিল, তখন তিনি বললেন, ‘আমি কি তোমাদেরকে বলিনি যে, আকাশ ও পৃথিবীর অদৃশ্য বস্তু (গায়েব) সম্বন্ধে আমি অবহিত এবং তোমরা যা ব্যক্ত কর বা গোপন রাখ নিশ্চিতভাবে আমি তা জানি?’

আয়াত ৩৪-আর যখন আমি ফেরেশতাদেরকে বললাম, ‘তোমরা আদমকে সিজদা কর’। তখন তারা সবাই সিজদা করল, কিন্তু ইবলীস করল না। সে অস্বীকার করল এবং অহংকার করল। আর সে হল কাফিরদের অন্তর্ভুক্ত। আয়াত ৩৫- আর আমি বললাম, ‘হে আদম, তুমি ও তোমার স্ত্রী জান্নাতে বসবাস কর এবং তা থেকে আহার কর স্বাচ্ছন্দ্যে, তোমাদের ইচ্ছানুযায়ী এবং এই গাছটির নিকটবর্তী হয়ো না, তাহলে তোমরা যালিমদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে।

আয়াত ৩৬-অতঃপর শয়তান তাদেরকে জান্নাত থেকে স্খলিত করল। এবং তারা যাতে ছিল তা থেকে তাদেরকে বের করে দিল, আর আমি বললাম, ‘তোমরা নেমে যাও। তোমরা একে অপরের শত্রু। আর তোমাদের জন্য যমীনে রয়েছে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত আবাস ও ভোগ-উপকরণ’। আয়াত ৩৭-অতঃপর আদম তার রবের পক্ষ থেকে কিছু বাণী পেল, ফলে আল্লাহ তার তাওবা কবূল করলেন। নিশ্চয় তিনি তাওবা কবূলকারী, অতি দয়ালু। (সূরা বাকারাহ, আয়াত ৩৩-৩৭)

বিজ্ঞাপন




Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই সম্পর্কিত আরও
Share via
Copy link
© ২০২২- সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । হক কথা ২৪.নেট
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )
Share via
Copy link