1. faysalislam405@gmail.com : ফয়সাল ইসলাম : ফয়সাল ইসলাম
  2. tajul.islam.jalaly@gmail.com : তাজুল ইসলাম জালালি : তাজুল ইসলাম জালালি
  3. marufshakhawat549@gmail.com : মারুফ হোসেন : মারুফ হোসেন
  4. najmulnayeem5@gmail.com : নাজমুল নাঈম : নাজমুল নাঈম
  5. saddam.samad.24@gmail.com : সাদ্দাম হোসাইন : সাদ্দাম হোসাইন
শুক্রবার, ২৭ মে ২০২২, ০৬:৫৭ পূর্বাহ্ন

ক্যামেরুনের শিশুরা যেভাবে কুরআন শেখে

সাদ্দাম হোসাইন
  • প্রকাশিতঃ বৃহস্পতিবার, ১০ মার্চ, ২০২২
  • ৫৬ বার পড়া হয়েছে
ক্যামেরুনের শিশুরা যেভাবে কুরআন শেখে

মধ্য আফ্রিকার একটি দেশ ক্যামেরুন। সেখানে দুই শতাধিক ভাষাভাষী গোষ্ঠীর বাসস্থান। বৈচিত্র্যের কারণেই এটি ‘আফ্রিকার খুদে রূপ’ হিসেবে পরিচিত। ১৯৬১ সালে ব্রিটেন ও ফ্রান্সের দুটি ঔপনিবেশিক অঞ্চল একত্র হয়ে ক্যামেরুন গঠিত হয়। আঠারো শতকে ক্যামেরুনে মুসলিম বণিক ও সুফি-ধর্ম প্রচারকদের মাধ্যমে ইসলামের প্রচার-প্রসার ঘটে। বর্তমানেও ক্যামেরুনের প্রায় ৪৮ শতাংশ মানুষ সুফি মতবাদে বিশ্বাসী। সিআইএর দ্য ওয়ার্ল্ড ফ্যাক্টবুকের তথ্য মতে, ক্যামেরুনে মুসলিম জনসংখ্যা মোট অধিবাসীর ২০.৯ শতাংশ। তবে অন্যান্য সূত্র থেকে জানা যায়, ক্যামেরুনের জনগোষ্ঠীর প্রায় ৩০ শতাংশ মুসলিম।

আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে যে দেশগুলোতে শিক্ষার হার সবচেয়ে বেশি তার মধ্যে ক্যামেরুন অন্যতম। সংগ্রামী জীবনের পাশাপাশি কুরআন শিক্ষায়ও এ দেশের মুসলমানদের যথেষ্ট আগ্রহ। দেশটির একজন সাধারণ কিশোরী ফাতেমা। দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় একটি এলাকায় পরিবাবের সাথে তার বসবাস।

সে পবিত্র কুরআন হিফজ করছে। ক্যামেরুনে ফাতেমা ও তার সমবয়সী কিশোর-কিশোরীরা খুবই অভিনব পদ্ধতিতে কুরআনে কারিম হিফজ ও মুখস্থ করে। তাদের প্রত্যেকের হাতে একটি করে মারুলা কাঠের স্লেট বা তক্তা থাকে। আকৃতি ও মান অনুযায়ী এসব স্লেটের দাম নির্ধারিত হয়। স্থানীয় মুদ্রায় একটি স্লেটের সর্বোচ্চ দাম পড়ে ৪০ সেন্ট বা চার মার্কিন ডলার।

শিক্ষার্থী পবিত্র কুরআনের যে সূরা বা অংশটি মুখস্থ করতে চায় তাকে স্লেটে সে অংশ ও সূরাটি লিখে দেয়া হয় এবং স্লেট দেখে দেখে তাকে মুখস্থ করার নির্দেশনা দেয়া হয়। স্লেটে লিখতে যে কালি ব্যবহৃত হয় তা পানি, লোবান (আগরবাতি তৈরির বিশেষ দ্রব্য) ও কাঠকয়লা দিয়ে তৈরি। সাদা পালকের কাঠি দিয়ে লেখা হয়। হাতে লেখা সূরাটি যখন শিক্ষার্থীর মুখস্থ হয়ে যায়, তখন এটি শিক্ষককে শোনাতে হয়। পড়া শুনে শিক্ষক খুশি হলে স্লেটটি পানি দিয়ে মুছে পরিষ্কার করে আবার নতুন সূরা ও অংশ লেখার অনুমতি পায় শিক্ষার্থী। ফাতেমা ও তার সঙ্গীরা সাধারণত এভাবেই পবিত্র কুরআনে কারিম হিফজ সম্পন্ন করে।

স্লেট ধোওয়ায় যে পানি ব্যবহার করা হয়, ক্যামেরুনে সেই পানি খুব মূল্যবান। ক্যামেরুনবাসী বিশেষ পাত্রে সংরক্ষণ করে বিভিন্ন কাজে বরকতস্বরূপ তা ব্যবহার করে। বর্তমানে এখানে কুরআনের সাধারণ প্রতিলিপির ব্যবহার শুরু হলেও প্রাচীন এই পদ্ধতিটি এখনো অনেকে আঁকড়ে রেখেছেন।

ক্যামেরুনের শিশুরা যেভাবে কুরআন শেখে

বিজ্ঞাপন




Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই সম্পর্কিত আরও
Share via
Copy link
© ২০২২- সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । হক কথা ২৪.নেট
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )
Share via
Copy link