1. faysalislam405@gmail.com : ফয়সাল ইসলাম : ফয়সাল ইসলাম
  2. tajul.islam.jalaly@gmail.com : তাজুল ইসলাম জালালি : তাজুল ইসলাম জালালি
  3. marufshakhawat549@gmail.com : মারুফ হোসেন : মারুফ হোসেন
  4. sheikhmustakikmustak@gmail.com : Sheikh Mustakim Mustak : Sheikh Mustakim Mustak
  5. najmulnayeem5@gmail.com : নাজমুল নাঈম : নাজমুল নাঈম
  6. rj.black.privateboy@gmail.com : rjblack :
  7. saddam.samad.24@gmail.com : সাদ্দাম হোসাইন : সাদ্দাম হোসাইন
  8. samirahmehd1997@gmail.com : Samir Ahmed : Samir Ahmed
রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:১০ অপরাহ্ন

ধারণার চেয়েও অনেক বেশি পুরোনো পেরুর মাচু পিচু

সাদ্দাম হোসাইন
  • প্রকাশিতঃ বৃহস্পতিবার, ১২ আগস্ট, ২০২১
  • ৩৯ বার পড়া হয়েছে
পেরুর মাচু পিচু
পেরুর মাচু পিচু

পেরুর ইনকা সভ্যতার অন্যতম নির্দশন মাচু পিচু। এত দিন এটা যে সময়ের বলে জানা ছিল, তার চেয়ে অন্তত কয়েক দশক আগেই এটি ব্যবহৃত হয়েছে। মানুষ এতদিন জেনে এসেছে ১৪২০ থেকে ১৫৩০ সালের মধ্যে এই দুর্গ ব্যবহৃত হয়েছে।

সংবাদ মাধ্যম সিএনএনের বরাতে জানা যায়, একদল গবেষক ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যানথ্রোপলজির প্রফেসর রিচার্ড বার্জারের নেতৃত্বে রেডিওকার্বন পদ্ধতি ব্যবহার করে দেখেছেন, মাচু পিচুর নির্মাতা সম্রাট পাচেকুটি ধারণার চেয়ে অনেক আগেই ক্ষমতায় আরোহণ করেছিলেন। সম্রাট পাচেকুটি ধারণার চেয়ে আগে ক্ষমতায় আরোহণের অর্থ হলো তিনি আরো আগে বিজয়ী হয়েছেন।

আর এর মাধ্যমে এই ব্যাখ্যা সহজ হয়ে যায় যে, ইনকা সাম্রাজ্য কীভাবে প্রাক-কলম্বিয়ান আমেরিকা সবচেয়ে বড় ও ক্ষমতাধর হয়ে উঠেছে। ঐতিহাসিক নথি অনুযায়ী ধারণা করা হয়ে থাকে, মাচু পিচু ১৪৪০ কিংবা ১৪৫০ সালে নির্মাণ করা হয়েছে। তবে সেখানে পাওয়া মানুষের দেহাবশেষের রেডিওকার্বন বিশ্লেষণ করে গবেষক দলটি আরো সুনির্দিষ্ট চিত্র দেখতে পেয়েছে। প্রফেসর বার্জারের নেতৃত্বাধীন গবেষক দলটি ১৯১২ সালে মাচু পিচুতে পাওয়া ২৬টি মরদেহের দেহাবশেষ বিশ্লেষণ করেছে।

প্রফেসর বার্জার বলেন, ‘বৈজ্ঞানিক প্রমাণের ভিত্তিতে প্রথমবারের মতো পরিচালিত গবেষণায় মাচু পিচুর নির্মাণ নিয়ে এবং এটি কখন ব্যবহৃত হয়েছে সে সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যায়।’ নতুন এই গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে এন্টিকিউটি জার্নালে। মাচু পিচু হলো পৃথিবীর অন্যতম প্রত্নতত্ত্ব নিদর্শন যা দুই পর্বতের মাঝে অবস্থিত। প্রায় ২০০ পাথরের কাঠামো রয়েছে সেখানে। যদিও গ্রানাইটে তৈরি দেওয়ালগুলো ভালো অবস্থায় থাকলেও ভঙ্গুর পদার্থে তৈরি ছাদগুলো অনেক আগেই নষ্ট হয়েছে।

বিজ্ঞাপন





শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই সম্পর্কিত আরও
© ২০২১ - সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । হক কথা ২৪.নেট
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )