1. faysalislam405@gmail.com : ফয়সাল ইসলাম : ফয়সাল ইসলাম
  2. tajul.islam.jalaly@gmail.com : তাজুল ইসলাম জালালি : তাজুল ইসলাম জালালি
  3. marufshakhawat549@gmail.com : মারুফ হোসেন : মারুফ হোসেন
  4. sheikhmustakikmustak@gmail.com : Sheikh Mustakim Mustak : Sheikh Mustakim Mustak
  5. najmulnayeem5@gmail.com : নাজমুল নাঈম : নাজমুল নাঈম
  6. rj.black.privateboy@gmail.com : rjblack :
  7. saddam.samad.24@gmail.com : সাদ্দাম হোসাইন : সাদ্দাম হোসাইন
  8. samirahmehd1997@gmail.com : Samir Ahmed : Samir Ahmed
রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:২১ অপরাহ্ন

নাম ধরে ডাকলেই নেচে ওঠে পাগলু

সাদ্দাম হোসাইন
  • প্রকাশিতঃ শুক্রবার, ২ জুলাই, ২০২১
  • ৯০ বার পড়া হয়েছে
নাম ধরে ডাকলেই নেচে ওঠে পাগলু

সাদা-কালো ছোপ ছোপ দাগ রয়েছে বিশাল দেহে। ওজন হয়েছে প্রায় ৩৫ মণের উপরে। গরুটির কাছে গিয়ে পাগলু নামে ডাকলেই লাফালাফি শুরু করে। বড় আদরের শখের এই গরুটি ঘিরে গল্পের শেষ নেই কুষ্টিয়ার টিপু-পাপিয়া দম্পতির। পরিবার তাদের বাকি চার সন্তানের মতোই গরুটি লালন–পালন করছেন।

২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে মোহাম্মদ টিপুর বাড়িতে জন্ম হয় পাগলুর। তারা কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার বাহিরচর ইউনিয়নের ১৬ দাগ পূর্বপাড়া এলাকার বাসিন্দা। পাগলু হওয়ার পর একই সময়ে এক সন্তান জন্ম দেন টিপুর স্ত্রী। পরিবারের অন্য সদস্যদের মতো ছোট্ট গরুটিকেও তারা লালন–পালন করতে শুরু করেন। ছোটবেলা থেকেই গরুটির লাফালাফি করা অভ্যাস। এ জন্য নাম রাখে পাগলু। পাগলু নাম ধরে ডাকলেই নাচের ভঙ্গিমা করে ওঠে।

তারা পাগলুর তিন বেলা খাবারে ঘাসের পাশাপাশি আপেল, কলা, আঙুর, মাল্টা, আখের গুড়ের শরবত, ওরস্যালাইন ও ভুসি খাওয়ান। সময় হলে খাবার দেওয়া, দুই বেলা গোসল করানো, মশা থেকে রক্ষা করতে মশারি টাঙ্গিয়ে দেওয়া, গরমের সময় বাতাসের ব্যবস্থা করা এবং রাতের বেলায় পালাক্রমে জেগে থেকে পাহারা দেন পরিবারের সদস্যরা। তিন বছরে তার ওজন হয়েছে প্রায় ৩৫ মণ। গরুটি দেখার জন্য টিপুর বাড়িতে প্রতিদিন মানুষ এসে ভিড় করে। তবে লকডাউনে তারা চিন্তায় পড়ে গেছেন। গরুটি বিক্রি করা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।

টিপুর স্ত্রী পাপিয়া খাতুন বলেন, প্রতিদিন সকালে পাগলুর ডাকে আমাদের ঘুম ভাঙে। টিপু পাগলুকে একবার মেরেছিল, এ জন্য তিনি দুই দিন কোনো খাবার খাননি। পাগলুর খাবার নিয়ে তার সামনে গেলে শুরু হয়ে যায় তার নাচন। পাগলু খাবারের ওপর ঝাঁপিয়ে পাড়ে। তার মায়াভরা মায়াবী চোখ দেখলে মায়ায় ভরে ওঠে।

পাপিয়া খাতুন আরও বলেন, ‘ যখন পাগলুর জন্মে হয় তখন আমার ছেলে আবদুল্লাহরও জন্ম হয়। তখন থেকেই আমি সন্তানের মতো ওকে বড় করছি। পাগলু তার মায়ের দুধ খাওয়ার পর যেটুকু দুধ অবশিষ্ট থাকত, সেটুকু আমার ছেলেকে খাওয়াতাম। ছেলে আবদুল্লাহ যখন হাঁটতে শেখে, তখন তার হাতের খাবারটা নিয়ে পাগলুর সামনে গিয়ে দাঁড়ালে পাগলু খেত। কোনো বিরক্ত করত না।’

এত আদরের পাগলুর বিক্রি হওয়ায় সময় কী করবেন? এমন প্রশ্ন করা হলে উত্তরে তিনি বলেন, ‘পাগলু এখন বিক্রির উপযোগী হয়েছে, কিন্তু যেদিন ওকে বিক্রি করে দেব, সেদিন আমাদের মনের অবস্থা কী হবে, তা বলতে পারছি না।’

বিজ্ঞাপন





শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই সম্পর্কিত আরও
© ২০২১ - সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । হক কথা ২৪.নেট
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )