1. faysalislam405@gmail.com : ফয়সাল ইসলাম : ফয়সাল ইসলাম
  2. tajul.islam.jalaly@gmail.com : তাজুল ইসলাম জালালি : তাজুল ইসলাম জালালি
  3. marufshakhawat549@gmail.com : মারুফ হোসেন : মারুফ হোসেন
  4. sheikhmustakikmustak@gmail.com : Sheikh Mustakim Mustak : Sheikh Mustakim Mustak
  5. najmulnayeem5@gmail.com : নাজমুল নাঈম : নাজমুল নাঈম
  6. rj.black.privateboy@gmail.com : rjblack :
  7. saddam.samad.24@gmail.com : সাদ্দাম হোসাইন : সাদ্দাম হোসাইন
  8. samirahmehd1997@gmail.com : Samir Ahmed : Samir Ahmed
শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:০৪ পূর্বাহ্ন

পৃথিবীর সর্ববৃহৎ মাটির তৈরি মসজিদ

সাদ্দাম হোসাইন
  • প্রকাশিতঃ শনিবার, ১০ জুলাই, ২০২১
  • ৬৫ বার পড়া হয়েছে
মাটির তৈরি মসজিদ
মাটির তৈরি মসজিদ

মাটির তৈরি এই মসজিদটি ১২০০ শতাব্দী থেকে ১৩০০ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে নির্মাণের পক্ষে অধিকাংশ মতের সমর্থন পাওয়া যায়। জানা যায়, সুলতান কুনবুরু ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার পর তার প্রাসাদটি ভেঙে সেখানে এই মসজিদটি তৈরি করেছিলেন। এই মসজিদের দেয়ালগুলো তালগাছের কাঠ দিয়ে নকশা করা হয়েছ। এটি স্থানীয়ভাবে ‘টরল’ নামে পরিচিত লাভ করে। এগুলো এমনভাবে গেঁথে দেয়া হয়েছে যাতে মাটির দেয়াল সহজে ধসে না পড়ে। কোরআন শিক্ষার জন্য হাজার হাজার শিক্ষার্থীরা এই মসজিদে আসতেন।

বিশ্বের অনেক মসজিদের শৈল্পিক স্থাপত্য হিসেবে খ্যাতি আছে। এ শৈল্পিক সৌন্দর্য শুধু বর্তমানের আধুনিক সময়ের জন্যই নয়, আদিকাল থেকেই চলে আসছে। নির্মাণশৈলীর দিক দিয়ে বিশ্বে শত শত বছরের পুরনো মসজিদ রয়েছে। এগুলো মানুষকে এখনও মুগ্ধ করে তোলে। এমন অনেক মসজিদের মধ্যে অন্যতম একটি হলো পৃথিবীর বুকে মাটি দিয়ে তৈরি সবচেয়ে বড় মসজিদ। আফ্রিকার উত্তরাঞ্চলে ডিজেনি শহরে মাটির তৈরি বিশ্বের বৃহত্তম মসজিদটির অবস্থান। এই মসজিদটির নাম হলো ‘গ্র্যান্ড মস্ক অব ডিজেনি’।

মাটির তৈরি মসজিদ

১৮২৮ সালে ফরাসি পর্যটক রেনের এ এলাকা সফরের আগ পর্যন্ত মসজিদটি সম্পর্কে লিখিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। রেনে তার সফর শেষে লিখেছিলেন, ডিজেনি শহরে একটি মসজিদ আছে যেটি মাটি দিয়ে তৈরি। এর দু’পাশে দুটি দর্শনীয় কম উচ্চতার মিনার আছে। এরপর থেকেই মাটির এই মসজিদ সম্পর্কে মানুষের মধ্যে জানার আগ্রহ সৃষ্টি হয়।

মসজিদটি বানি নদীর তীরে অবস্থিত। ২৪৫ ফুট আয়তনবিশিষ্ট ৩ ফুট উঁচু কাঠামোর ওপর নির্মিত। এই কাঠামো বর্ষাকালে বানি নদীর প্লাবিত পানি থেকে মসজিদটিকে সুরক্ষা করে। ম

মধ্যযুগে আফ্রিকার এই অঞ্চলে ইসলামী শিক্ষা বিস্তারের প্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ছিল এই মসজিদ। হাজার হাজার শিক্ষার্থী তখন কোরআন শিক্ষার জন্য এই মসজিদে আসতেন। প্রতি বছর স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের উদ্যোগে মসজিদটির সংস্কার কাজ চলে। ২০০৬ সালের ২০ জানুয়ারি মসজিদের ছাদের একটি অংশ এবং ২০০৯ সালের ৫ নভেম্বর এর দক্ষিণ দিকের মিনারের একটি অংশ ধসে পড়লে ‘দি আগা খান ট্রাস্ট কালচার’ নিজস্ব খরচে এটির সংস্কার করে। ১৯৮৮ সালে ইউনেস্কো এই মসজিদটিসহ এর চারপাশের ঐতিহাসিক স্থানগুলোকে বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে।

বিজ্ঞাপন





শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই সম্পর্কিত আরও
© ২০২১ - সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । হক কথা ২৪.নেট
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )