1. faysalislam405@gmail.com : ফয়সাল ইসলাম : ফয়সাল ইসলাম
  2. tajul.islam.jalaly@gmail.com : তাজুল ইসলাম জালালি : তাজুল ইসলাম জালালি
  3. marufshakhawat549@gmail.com : মারুফ হোসেন : মারুফ হোসেন
  4. sheikhmustakikmustak@gmail.com : Sheikh Mustakim Mustak : Sheikh Mustakim Mustak
  5. najmulnayeem5@gmail.com : নাজমুল নাঈম : নাজমুল নাঈম
  6. rj.black.privateboy@gmail.com : rjblack :
  7. saddam.samad.24@gmail.com : সাদ্দাম হোসাইন : সাদ্দাম হোসাইন
  8. samirahmehd1997@gmail.com : Samir Ahmed : Samir Ahmed
মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১, ১১:৪৭ অপরাহ্ন

যেভাবে এলো সূর্যঘড়ি ও সময়ের হিসাব

সাদ্দাম হোসাইন
  • প্রকাশিতঃ শুক্রবার, ১২ নভেম্বর, ২০২১
  • ১৪ বার পড়া হয়েছে
সূর্যঘড়ি ও সময়ের হিসাব
সূর্যঘড়ি ও সময়ের হিসাব

মরক্কোর আবু আলী আল-হাসান আল-মারাকুশি ছিলেন একজন জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও গণিতবিদ। তিনি ত্রিকোণমিতির ক্ষেত্রে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। তিনি ২৪০ টিরও বেশি তারকা বর্ণনা করেছেন।

তিনি গোলাকার জ্যোতির্বিজ্ঞান এবং জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক যন্ত্রের (সূর্যঘড়ি, অ্যাস্ট্রোল্যাবস) ওপর একটি বৃহৎ কম্পেন্ডিয়ামের লেখক, যার শিরোনাম ‘আল-মাবাদি ওয়াল-ঘায়াত। এই শাস্ত্রটি তিনি কায়রোতে লিখেছেন। এটি ১৮৩৪ সালে জে জে সেডিলোট কর্তৃক ফরাসি ভাষায় অনূদিত হয়। তিনি ‘কিতাব আল-কোতুউল মাখরুতিয়া’র (কনিক বিভাগ) লেখক।

অর্ধেক বোঝাতে আমরা কখনো লিখি ০.৫, কখনো লিখি ১/২, কখনো অনুপাতে নিয়ে লিখি ১:১। এই যে দশমিককে অনুপাত আকারে প্রকাশ করা, এই ব্যাপারটা প্রথম কে উদ্ভব করেছিলেন? এটা যে আবিষ্কার করার মতো একটা ব্যাপার, তা কি ভেবেছি কখনো?    

আবার ভাবুন, আসর সালাতের ওয়াক্ত কখন শুরু হয়, সূর্যের ঢলে পড়া হিসাব করে সেই সময়টা নির্দিষ্ট করা। ঘরে বসে বসে লাঠির ছায়া মেপে প্রতিদিন এই কাজ করা আমাদের পক্ষে সম্ভব হতো কখনো? এই আসর নামাজের সময়টার হিসাব কে করেছিলেন জানেন? 

আবার ধরেন, এককালে ক্ষেত-খামারে নদীর পানি দিয়ে সেচ দেওয়া হতো, ওই পানির উচ্চতার হিসাবগুলো কে করেছিলেন জানেন? এই কাজগুলো একজন মানুষের—আবু আলী আল-হাসান আল-মারাকুশি তাঁর নাম। 

তাঁর লেখা অনেক বই আছে। গণিত নিয়ে খুব বিখ্যাত তার দুটি বইয়ের নাম হচ্ছে ‘তালখিসুল আমাল’ এবং ‘রাফউল হিজাব।’ 

তার নামে চাঁদের একটা আগ্নেয়গিরির নামকরণ করা হয়েছে আল-মারাকুশি। মরক্কোর মারাকেশ শহরের সঙ্গে তিনি জড়িয়ে আছেন ভীষণভাবে, সেই থেকে এই নাম।  

এই মনীষীর সর্বশ্রেষ্ঠ বইয়ের নাম ‘তালখিম ফি আসালোন হিসাব’। অনেকে মনে করেন, বইটি লিখিত হয় আল-হামসার বইয়ের ওপর ভিত্তি করে। এতে স্থান পেয়েছে ভগ্নাংশের উন্নততর আলোচনা, পাশ্চাত্য প্রণালীতে ভারতীয় সংখ্যা ব্যবহার, বর্গ ও ঘনসমষ্টি ৯, ৮ ও ৭ বাদ দেওয়ার পদ্ধতি প্রভৃতি। তাঁর বইয়ের অনেক ভাষ্য প্রণয়ন করা হয়েছে। এতে তাঁর গুরুত্ব বোঝা যায়। তাঁর মৃত্যু মরক্কোয় ৬৬০ হিজরি, ১২৬২ সালে।

বিজ্ঞাপন




শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই সম্পর্কিত আরও
© ২০২১ - সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । হক কথা ২৪.নেট
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )