● বুধবার, মে 22, 2024 | 10:17 পূর্বাহ্ন

রমজান ও বিজ্ঞান

রমজান ও বিজ্ঞান

মুসলমান পরিবারের সন্তানেরা ছোট বেলা থেকেই রোজা রাখার অভ্যাস করে। অনেক মা-বাবা সুস্থ সন্তানকে অসুস্থ গয়ে যাবে এই আশঙ্কায় রোজা রাখতে বারণ করেন। আবার অনেকে পড়াশুনার জন্য রোজা ছেড়ে দেন। আমাদের সকলের মনে রাখতে হবে ইসলাম একটি সহজ, সুন্দর ও সুশৃঙ্খল জীবন পদ্ধতি। এখানে অকল্যাণকর, অপ্রয়োজনীয়, ধ্বংসাত্মক কোন বিধান নেই। যিনি এমন সুন্দর পদ্ধতি দিয়েছেন তিনি সবকিছু বুঝেই দিয়েছেন।

রোজার গুরুত্ব সম্পর্কে বিশিষ্ট বিজ্ঞানী, গবেষক ও চিকিৎসকরাও আলোকপাত করেছেন। রোজার সময় খাবার গ্রহণ নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত বন্ধ থাকে। এতে আমাদের কোষে বাহির থেকে কোনো খাবার না পেয়ে নিজেই নিজের অসুস্থ কোষগুলো খেতে শুরু করে। চিকিৎসা শাস্ত্রে এই পরিস্থিতিকে বলা হয়েছে অটোফেজি। রোজা নিয়ে বিস্ময়কর ‘অটোফেজি’ তথ্য দিয়ে ২০১৬ সালে নোবেল পেয়েছিলেন জাপানি গবেষক ও বিজ্ঞানী ওশিনরি ওসুমি। বিখ্যাত পুষ্টিবিদ ক্লাইরি ম্যাথিও অটোফেজির এ বিষয়টি মেনে চলেন।

ডা: বেন কিম  Fasting for Health গ্রন্থে বেশ কিছু রোগের ক্ষেত্রে উপবাসকে চিকিৎসা হিসেবে গ্রহণ করেছেন। সেগুলো হচ্ছে  হৃদরোগ, উচ্চরক্তচাপ, অন্ত্রনালীর প্রদাহ, অনেক দিনের মাথা ব্যথা, বয়সজনিত ডায়েবেটিস ইত্যাদি।

বিখ্যাত মনোবিজ্ঞানী সিগমন্ড নারায়াড মনে করেন, রোজা মনস্তাত্ত্বিক ও মস্তিষ্ক রোগ নির্মূল করে দেয়। কারণ, রোজা শারীরিক সক্ষমতা তৈরির পাশাপাশি এনে দেয় মানসিক প্রশান্তিও। তবে ইসলাম শুধু শারীরিকভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের ওপরই এটি ফরজ করেছে। আপনি যদি শারীরিক জটিলতার কারণে ধর্মীয় এই বিধান অর্থাৎ রোজা রাখতে না পারেন, তবে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ ও চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করুন। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান সিয়াম পালনকে এক বাক্যে উপকারী হিসেবে রায় প্রদান করেছে।

এই সম্পর্কিত আরও

আবুল কালাম
বিস্তারিত...
 আরবে ঈদের তারিখ ঘোষণা
বিস্তারিত...
রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান
বিস্তারিত...
813788_175
বিস্তারিত...
জান্নাতের ফুল
বিস্তারিত...
আশুরা স্মরণে
বিস্তারিত...