1. faysalislam405@gmail.com : ফয়সাল ইসলাম : ফয়সাল ইসলাম
  2. tajul.islam.jalaly@gmail.com : তাজুল ইসলাম জালালি : তাজুল ইসলাম জালালি
  3. marufshakhawat549@gmail.com : মারুফ হোসেন : মারুফ হোসেন
  4. najmulnayeem5@gmail.com : নাজমুল নাঈম : নাজমুল নাঈম
  5. saddam.samad.24@gmail.com : সাদ্দাম হোসাইন : সাদ্দাম হোসাইন
রবিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০১:৪৬ পূর্বাহ্ন

শরীয়তপুরে ২০০ বছর আগে অলৌকিকভাবে গড়ে ওঠা মসজিদ

সাদ্দাম হোসাইন
  • প্রকাশিতঃ রবিবার, ২৪ জুলাই, ২০২২
  • ৯৩ বার পড়া হয়েছে
শরীয়তপুরে ২০০ বছর আগের জিনের মসজিদ

শরীয়তপুর জেলার গোসাইরহাট উপজেলার নাগেরপাড়া ইউনিয়নের শিবপুর গ্রামে অবস্থিত একটি মসজিদকে এলাকাবাসী ‘জ্বিনের মসজিদ’ নামে চেনে। শোনা যায়, মসজিদটি কোনো মানুষের নকশা ও শ্রমে ছাড়াই অলৌকিকভাবে এক রাতের মধ্যে গড়ে উঠেছে। তাই স্থানীয়রা এর নাম দিয়েছে ‘জ্বিনের মসজিদ’।

প্রচলিত ধারণা, আগের দিন পর্যন্ত যেখানে ছিল অথৈ পানি সেখানে এক রাতে অলৌকিকভাবে গড়ে ওঠে এই মসজিদ। এক রাতের মধ্যে পানির ভেতর মাটি ফেলে কারুকার্যখচিত একটি মসজিদ নির্মাণ করা কোনো মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়। নিশ্চয়ই এটা জ্বিনের কাজ।

স্থানীয় প্রবীণরা দাবি করেন, সম্ভবত ২০০ বছর আগে একরাতে জ্বিনেরা এ মসজিদের কাজ শুরু করেন। ভোররাতের দিকে পাশের বাড়ির একজন মাছ ধরতে গেলে জ্বিনেরা সেখান থেকে চলে যায়। এজন্য কিছু কাজ অসমাপ্ত থেকে যায়। এখন পর্যন্ত সেভাবেই আছে।

মসজিদটি নির্মিত হওয়ার পর প্রায় ৫০-৬০ বছর পর্যন্ত কেউ সেখানে নামাজ পড়তে যাননি। কারণ এই মসজিদটির আশপাশে তেমন বসতি ছিল না। যে দু’একটা ঘর ছিল, তারা ভয়ে মসজিদের কাছে যেত না। পরে বসতি বাড়ার সাথে সাথে কিছু মানুষ নামাজ পড়তে যেতে থাকে। তখন নামাজের সময় কিছু অপরিচিত মানুষ অংশগ্রহণ করতো বলে কথিত রয়েছে।

প্রায় একশ’ বছর পর মসজিদের কিছুটা সংস্কার করা হয়। তবে ছাদে ওঠার সাহস এখনো কেউ দেখাননি। সেখানকার সব ধর্মের মানুষ এই মসজিদটিকে অত্যন্ত শ্রদ্ধা করে এবং তাদের ঐতিহ্য হিসেবে দেখে থাকে।

পাঁচ কাঠা জমির ওপর স্থাপিত চতুর্ভূজ আকৃতির মসজিদটি এক গম্বুজবিশিষ্ট। মসজিদের ভেতরে নামাজের জন্য তিনটি কাতার রয়েছে। প্রতি কাতারে কমপক্ষে দশজন মুসল্লি দাঁড়াতে পারে। মসজিদে এখনো নির্দিষ্ট কোনো ইমাম নেই বা কেউ মসজিদের অভ্যন্তরে অবস্থান করে না। সেখানে কেউ একা একা নামাজও পড়তে আসেন না। বিশেষ করে জোহর ও এশার নামাজ পড়তে এখনো ভয় পান মুসল্লিরা। বর্তমানে অনেক কৌতূহলী মানুষ মসজিদটি দেখতে আসে। তাই মসজিদকে ঘিরে জ্বিনের ভয় অনেকটা কেটে গেছে।

যেভাবে যাবেন: শরীয়তপুর শহর থেকে ১৬ কিলোমিটার দূরত্বে সড়কপথে গোসাইরহাট উপজেলা সদর যাওয়া যায়। ঢাকা থেকে সড়কপথে জাজিরা মাঝিরঘাট হয়ে নদীপথে মাওয়া ঘাট এবং মাওয়া ঘাট থেকে সড়কপথে গোসাইরহাট যাওয়া যায়। সেখান থেকে রিকশা, মোটরসাইকেল, ভ্যান, ভটভটি কিংবা নসিমনে নাগেরপাড়া শিবপুর গ্রামে যাওয়া যায়।

নৌপথে গোসাইরহাট থেকে ঢাকার দূরত্ব ১৪০ কিলোমিটার। সদরঘাট থেকে গোসাইরহাট লঞ্চে যেতে পারেন। প্রতি দিন সকাল ৪টায় এবং রাত ১০টায় গোসাইরহাটের উদ্দেশে আওলাদ, স্বর্ণদ্বীপ, যুবরাজ ইত্যাদি লঞ্চ ছেড়ে যায়। ভাড়া ১৭০ টাকা থেকে ১৯০ টাকা পর্যন্ত।

শরীয়তপুরে ২০০ বছর আগের জিনের মসজিদ

বিজ্ঞাপন




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই সম্পর্কিত আরও
Share via
Copy link
© ২০২৩- সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । হক কথা ২৪.নেট
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )
Share via
Copy link