1. faysalislam405@gmail.com : ফয়সাল ইসলাম : ফয়সাল ইসলাম
  2. tajul.islam.jalaly@gmail.com : তাজুল ইসলাম জালালি : তাজুল ইসলাম জালালি
  3. marufshakhawat549@gmail.com : মারুফ হোসেন : মারুফ হোসেন
  4. sheikhmustakikmustak@gmail.com : Sheikh Mustakim Mustak : Sheikh Mustakim Mustak
  5. najmulnayeem5@gmail.com : নাজমুল নাঈম : নাজমুল নাঈম
  6. rj.black.privateboy@gmail.com : rjblack :
  7. saddam.samad.24@gmail.com : সাদ্দাম হোসাইন : সাদ্দাম হোসাইন
  8. samirahmehd1997@gmail.com : Samir Ahmed : Samir Ahmed
বুধবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২১, ০৬:৪৬ পূর্বাহ্ন

শিশু কালেই বৃদ্ধ প্রথম শ্রেণীর শিক্ষার্থী

সাদ্দাম হোসাইন
  • প্রকাশিতঃ বৃহস্পতিবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২১
  • ২৭ বার পড়া হয়েছে
প্রথম শ্রেণীর শিক্ষার্থী সেতু
প্রথম শ্রেণীর শিক্ষার্থী সেতু

কিশোরগঞ্জে পাকুন্দিয়া উপজেলার মঙলবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী মোছা. অনিকা জাহান সেতু। জন্মসূত্রে তার প্রকৃত বয়স হলো সাড়ে সাত বছর। কিন্তু জন্মের সনদপত্রে দেখা যায় তার বয়স এখন ১০৭ বছর ছয় মাস। এ নিয়ে তার পরিবারের মাঝে বিরাজ করছে ক্ষোভ ও হতাশা।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সেতুর বাড়ি পাকুন্দিয়া পৌর এলাকার সৈয়দগাঁও গ্রামে। তার বাবার নাম মো. ওয়াসিম। সে একই এলাকার মঙলবাড়িয়া গ্রামের নানার বাড়ি থেকে পড়ালেখা করে। সেতু ২০১৪ সালের ২৪ মে জন্মগ্রহণ করে। সে অনুযায়ী তার ইপিআই টিকাদান কার্ডেও জন্মতারিখ লেখা আছে ২৪ মে ২০১৪। কিন্তু পৌরসভা থেকে তার জন্মের যে সনদপত্র দেওয়া হয়েছে, সেখানে জন্ম তারিখ দেয়া হয়েছে ২৪ মে ১৯১৪। 

সে হিসেবে জন্মের সনদপত্রে তার বয়স ১০০বছর বেশি লেখা হয়েছে। অর্থাৎ জন্মের সনদপত্র অনুযায়ী সাড়ে সাত বছরের সেতুর বয়স এখন ১০৭ বছর ছয় মাস হয়েছে।

প্রায় তিন মাস আগে উপবৃত্তির টাকা পেতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবেদন করার জন্য জন্মের সনদপত্র আনতে বলেন। বাড়ি গিয়ে বিষয়টি তার নানাকে বলে। পরে জন্মের সনদপত্র আনতে তার নানা পাকুন্দিয়া পৌরসভা কার্যালয়ে যান। সেখান থেকে জন্মের সনদপত্র এনে প্রধান শিক্ষকের হাতে দেন তার নানা।

জন্মের সনদপত্রটি দেখে প্রধান শিক্ষক জানান, এতে তার বয়স ১০০ বছর বেশি লেখা হয়েছে। বিষয়টি সংশোধনের জন্য পৌরসভা কার্যালয়ে যোগাযোগ করা হলে সেখান থেকে জানানো হয়, বয়স সংশোধন করতে হলে আদালতে মামলা করতে হবে। এরপর সংশোধনের জন্য পৌরসভায় আবেদন করতে হবে।

মঙলবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো.আলমাছ উদ্দিন  এই প্রতিনিধিকে বলেন, পৌরসভা কার্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরাই এ ভুলটি করেছে। তাদের এ ভুলের কারণে একটি পরিবার মারাত্মক হয়রানিতে পড়েছে। বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক।

পাকুন্দিয়া পৌরসভার সচিব সৈয়দ শফিকুর রহমান বলেন, সনদপত্র টাইপ করার সময় হয়তো ২০১৪ এর জায়গায় ভুলবশত ১৯১৪ লেখা হয়ে থাকতে পারে। তবে যেভাবেই হোক এটি কোনো ছোটখাটো ভুল নয়। এটি একটি বড় ধরনের ভুল হয়েছে। অতি দ্রুত বিষয়টি কিভাবে সংশোধন করা যায়, তা ইউএনও স্যারের সঙ্গে পরামর্শ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য চেষ্টা করব।

বিজ্ঞাপন




শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই সম্পর্কিত আরও
© ২০২১ - সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । হক কথা ২৪.নেট
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )