1. yenboravisluettah@gmail.com : bimak73555 :
  2. faysalislam405@gmail.com : ফয়সাল ইসলাম : ফয়সাল ইসলাম
  3. tajul.islam.jalaly@gmail.com : তাজুল ইসলাম জালালি : তাজুল ইসলাম জালালি
  4. marufshakhawat549@gmail.com : মারুফ হোসেন : মারুফ হোসেন
  5. saddam.samad.24@gmail.com : সাদ্দাম হোসাইন : সাদ্দাম হোসাইন
  6. : :
মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৯:২৪ পূর্বাহ্ন

সাফা-মারওয়ার তাৎপর্য ও শিক্ষা

সাদ্দাম হোসাইন
  • প্রকাশিতঃ বৃহস্পতিবার, ৮ জুলাই, ২০২১
  • ৩৩৫ বার পড়া হয়েছে
সাফা মারওয়া

আল্লাহ তাআলার নির্দশনসমূহের মধ্যে অন্যতম একটি হলো সাফা-মারওয়া পাহাড়। এই পাহাড় দুটি মসজিদে হারামের নিকটে অবস্থিত। আল্লাহ তা’আলা হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালামকে হজের যে সকল আনুষ্ঠানিকতা শিখিয়েছিলেন, তার মধ্যে সাফা ও মারওয়ার মাঝখানে সাঈ করা বা দৌড়ানোও ছিল একটি বিশেষ কাজ।

সাফা ও মারাওয়ায় তাওয়াফের কারণ পূর্বে বর্ণিত হয়েছে যে, হযরত ইবরাহিম (আ:)-এর স্ত্রী হজরত হাজেরা (আ:) এ পাহাড় দুটিতে সাত বার প্রদক্ষিণ করেছিলেন। এখন যারা হজ ও ওমরা পালন করতে গিয়ে সাফা-মারওয়া পাহাড়ে দৌড়ানো; তারা হজরত হাজেরার দৌড়ানোর সেই মূল উৎসকেই অনুসরণ করেন।

হজরত ইবরাহিম (আ:) যখন হজরত হাজেরা (আ:) ও তাঁর শিশু পুত্রকে খাদ্য-সামগ্রীবিহীন ও জন-মানবহীন মরু অঞ্চলে রেখে আসেন এবং তাঁদের সাথে থাকা খাদ্য-সামগ্রীও শেষ হয়ে যায়। তখন খাদ্যাভাবে হজরত ইসমাইল (আ:)-প্রাণ ওষ্ঠাগত।

হজরত হাজেরা (আ:) অত্যন্ত উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার মধ্যে জন-মানবহীন মরু অঞ্চলের এ পবিত্র পাহাড় দুটির মাঝে সাতবার দৌড়াদৌড়ি করেন। এক পর্যায়ে মধ্যবর্তী স্থানে স্বীয় আঁচল ছড়িয়ে দিয়ে শুধুমাত্র মহান আল্লাহ তাআলার নিকট সাহায্য প্রার্থনা করেছিলেন। অবশেষ মহান আল্লাহ তা’আলা তার দুঃখ, কষ্ট, চিন্তা, দুর্ভাবনা সব দূর করে দিয়েছিলেন।

জন-মানবহীন অঞ্চলকে মানুষের জন্য আবাসযোগ্য করে দিয়েছেন। খাদ্য ও পাণীয় দিয়ে তাদের সাহায্য করেছেন। বিশ্ববাসীর জন্য শ্রেষ্ঠ ইবাদাতের স্থান নির্বাচন করেছেন। যা ছিল মহান আল্লাহ তাআলার অপার রহমত ও করুণা।

হজরত হাজেরা (আ:)-এর এই প্রার্থনার এ শিক্ষাকেই আল্লাহ তা’আলা সমগ্র বিশ্বের মুসলমানদের মাঝে ছড়িয়ে দিতেই হজের আনুষ্ঠানিকতায় সাফা-মারওয়া পাহাড়ে সাঈকে আবশ্যক করে দিয়েছেন। আর তাঁর নিকট কাকুতি-মিনতির সঙ্গে দোয়ার করা, তাঁর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করার শিক্ষাই হলো এই সাফা-মারওয়ার মূল তাৎপর্য।

সমগ্র বিশ্ব থেকে আগত সকল দর্শনার্থী, হজ ও ওমরা পালনকারীর এ পবিত্র পাহাড় দুটি তাওয়াফের সময় অত্যন্ত দারিদ্র্য ও বিনয়ের সাথে সাঈ করা উচিত। সাফা-মারওয়া সাঈ করার সময় মহান আল্লাহ তাআলার নিকট নিজেদের অভাব-অনটন, প্রয়োজন এবং অসহায়তার কথা পেশ করেন। মনের সকল জটিলতা-কুটিলতা থেকে মুক্ত হয়ে সুপথ প্রাপ্তির প্রার্থনা জানান। জীবনের সকল পাপ মোচনের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

মুসলিম উম্মাহর জন্য হজরত হাজেরার স্মৃতি বিজড়িত সাফা-মারওয়ার কার্যাবলীর তাৎপর্য হৃদয় দিয়ে অনুধাবন করা এবং পালন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাফা-মারওয়ার জিয়ারাতকারীর কর্তব্য হলো স্থিরতা, পুণ্য, মুক্তি এবং মঙ্গলের জন্য প্রার্থনা করা। আল্লাহ তাআলা যেন তাঁদেরকে অন্যায় ও পাপাচারের সংকীর্ণতার পথ থেকে সরিয়ে উৎকর্ষতা, ক্ষমা এবং পুণ্যের কাজের তাওফিক প্রদান করেন। যেভাবে তিনি হজরত হাজেরা (আ:)-কে বিপদমুক্ত করে সাহায্য করেছিলেন।

আল্লাহ ত ‘আলা মুসলিম উম্মাহকে সাফা-মারওয়ার ঐতিহাসিক তাৎপর্য ও শিক্ষা গ্রহণ করার তাওফিক দান করুন (আমিন)।

বিজ্ঞাপন




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই সম্পর্কিত আরও
Share via
Copy link
© ২০২৩- সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । হক কথা ২৪.নেট
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )
Share via
Copy link