1. faysalislam405@gmail.com : ফয়সাল ইসলাম : ফয়সাল ইসলাম
  2. tajul.islam.jalaly@gmail.com : তাজুল ইসলাম জালালি : তাজুল ইসলাম জালালি
  3. marufshakhawat549@gmail.com : মারুফ হোসেন : মারুফ হোসেন
  4. najmulnayeem5@gmail.com : নাজমুল নাঈম : নাজমুল নাঈম
  5. saddam.samad.24@gmail.com : সাদ্দাম হোসাইন : সাদ্দাম হোসাইন
মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২২, ০৪:৩২ অপরাহ্ন

সাভারে স্কুলে ভর্তি হতে না পেরে সড়কে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা

সাদ্দাম হোসাইন
  • প্রকাশিতঃ মঙ্গলবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২২
  • ২০ বার পড়া হয়েছে
সাভারে স্কুলে ভর্তি হতে না পেরে সড়কে শিক্ষার্থীরা
সাভারে স্কুলে ভর্তি হতে না পেরে সড়কে শিক্ষার্থীরা

স্কুলে ভর্তি হতে না পেরে নিজ স্কুলে সামনের সড়কে অবস্থান কর্মসূচি ও মানববন্ধন করেছেন প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থীসহ অভিভাবকরা। আজ মঙ্গলবার সকালে সাভার থানা রোডে মানববন্ধন করেন সাভার অধরচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীর।

এ সময় অভিভাবকরা বলেন, আমরা আমাদের সন্তানদের ওই স্কুলে প্রাথমিক পর্যায়ে লেখাপড়া করিয়েছি। তারা ৫ম শ্রেণি শেষ করে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হবে এটাই স্বাভাবিক। আগেও এভাবেই চলে আসছে। কিন্তু এবার প্রায় ৬২ জন শিক্ষার্থী সেখানে ভর্তি হতে পারছে না। আমরা বিভিন্ন মাধ্যমে স্কুল কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলেছি। তারা আজ আমাদের ছেলেমেয়েদের ভর্তির আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু আজও ভর্তি করছে না। আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

সেলিম নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, রোকেয়া ম্যাডাম আমাদের বলেছিলেন, লটারি হলেও আমরা এখানেই ভর্তি হতে পারবো। কিন্তু এখন ভর্তি হতে পারছি না। অন্য স্কুলে ভর্তি হতে গেলে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা লাগবে। এত টাকা আমার পরিবার বহন করতে পারবে না। তাহলে ভর্তি না করালে আমাদের আশ্বাস দেওয়া হলো কেন? এখানে ভর্তি না করানো হলে আমি আর ভর্তিই হবো না।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া যমজ দুই সন্তানের মা এ্যানি বলেন, আমার দুই সন্তান তাসমিয়া ও ফাহমিদা এই স্কুলের প্রাইমারি শাখায় প্রায় ৬ বছর অতিবাহিত করেছে। কিন্তু আজ ওই স্কুল থেকে আমাদের সন্তানদের বের করে দেওয়া হয়েছে। আমাদের বের করে দিয়ে স্কুলের গেট বন্ধ করে দিয়েছে।

এ বিষয়ে সাভার অধর চন্দ্র সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাথমিক শাখার প্রধান শিক্ষক মিসেস রোকেয়া হক এর মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে চন্দন নামের এক ব্যক্তি ছেলে পরিচয় দিয়ে বলেন, মা অসুস্থ! তিনি এখন কথা বলতে পারবেন না। তিনি এখন হাসপাতালে ভর্তি আছেন। ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রতন পিটার গোমেজ জানান, এটা আসলে সরকারি প্রক্রিয়া। লটারিতে যারা চান্স পেয়েছে তারা ভর্তি হয়েছে। যারা চান্স পায় নি তারা বিভিন্নভাবে ভর্তির জন্য চাপ সৃষ্টি করছেন।

বিজ্ঞাপন




শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই সম্পর্কিত আরও
© ২০২১ - সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । হক কথা ২৪.নেট
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )