1. faysalislam405@gmail.com : ফয়সাল ইসলাম : ফয়সাল ইসলাম
  2. tajul.islam.jalaly@gmail.com : তাজুল ইসলাম জালালি : তাজুল ইসলাম জালালি
  3. marufshakhawat549@gmail.com : মারুফ হোসেন : মারুফ হোসেন
  4. najmulnayeem5@gmail.com : নাজমুল নাঈম : নাজমুল নাঈম
  5. rj.black.privateboy@gmail.com : rjblack :
  6. saddam.samad.24@gmail.com : সাদ্দাম হোসাইন : সাদ্দাম হোসাইন
  7. samirahmehd1997@gmail.com : Samir Ahmed : Samir Ahmed
মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১, ০৪:২৫ পূর্বাহ্ন

তওবা মুমিনের পরিচয়

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিতঃ শনিবার, ২৩ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৪৫ বার পড়া হয়েছে
Tawba

তাওবা মুমিনের জীবনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। সাহাবিদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল তওবা। তাঁরা শত্রু থেকে সতর্ক থাকার চেয়েও  পাপাচার থেকে বেশি সতর্ক থাকতেন। আল্লাহ তা’য়ার কাছে দোয়া করতেন, ‘ হে আল্লাহ, আমাদের হালাল কাজের তাওফিক দাও। হারাম কাজ থেকে বিরত রাখো। তোমার আনুগত্যের তাওফিক দাও।’

অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের পাপ থেকে অন্তরের পাপ বেশি ভয়ানক। তা হৃদয়ে কুপ্রভাব ফেলে। অন্তরের পাপাচার হলো অহংকার ও গর্ব করা, আত্মপ্রবঞ্চনা ও মোহাবিষ্ট হওয়া, লৌকিকতা ও প্রদর্শনেচ্ছা, মানুষের প্রতি খারাপ ধারণা পোষণ করা,অন্তরে হিংসা ও বিদ্বেষ লালন-পালন করা। এ ধরনের পাপ রোজার প্রাণ নষ্ট করে দেয়। তাহাজ্জুদের প্রভাব দূর করে দেয়। আগুন যেভাবে কাঠকে পুড়িয়ে ছাই করে ফেলে, ঠিক তেমনি অন্তরের পাপ মানুষের ভালো কাজকে পুড়িয়ে ছাই করে ফেলে।

হাদিসে শরীফে ইরশাদ হয়েছে, ‘যে ব্যক্তির মাঝে বিন্দু পরিমাণ অহংকার আছে সে কখনো জান্নাতে প্রবেশ করবে না।’ (মুসলিম)

মুমিনরা সাধারণত আদম সন্তান, পাপপ্রবণ। কিন্তু যখনই তারা মাটির আকর্ষণ থেকে মুক্ত হয়, তখনই আল্লাহর কাছে তাওবা করে। তাঁর কাছে ফিরে যায়। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘যখনই শয়তানের কোনো দল তাদের কুমন্ত্রণা দেয়, তখনই তারা আল্লাহকে স্মরণ করে এবং তাদের চোখ খুলে যায়।’ (সুরা আরাফ, আয়াত : ২০১)

মুমিনরা আল্লাহকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি কখনো ভুলে যান না। কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘হে আদম সন্তান, তোমরা শয়তানের উপাসনা করো না। নিশ্চয় সে তোমাদের সুস্পষ্ট শত্রু। তোমরা আমারই ইবাদত করো। আর এটাই সরল-সঠিক পথ।’ (সুরা ইয়াসিন, আয়াত : ৬০-৬১)

মুমিনরা প্রবৃত্তির তাড়নায় কখনো পাপ করলেও শয়তান ও তার দলের কাছে নতি স্বীকার করে না; বরং তাদের মা-বাবা আদম-হাওয়ার মতোই বলে ওঠে, ‘হে আমাদের প্রভু, আমরা নিজেদের ওপর জুলুম করেছি। আপনি যদি আমাদের ক্ষমা না করেন, আমাদের ওপর দয়া না করেন, তাহলে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হবো।’ (সুরা আরাফ, আয়াত : ২৩)

কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘যখন তারা কোনো গর্হিত কাজ করে ফেলে কিংবা নিজেদের ওপর অত্যাচার করে সঙ্গে সঙ্গে তারা আল্লাহকে স্মরণ করে। অতপর নিজেদের পাপাচারের জন্য ক্ষমা চায়। আর আল্লাহ ছাড়া কে ক্ষমা করতে পারে? তারা জেনে-শুনে আর পাপের পুনরাবৃত্তি করে না। (সুরা : আলে ইমরান, আয়াত : ১৩৫)

মহান আল্লাহ আমাদের সকলের তওবাকে কবুল করে প্রকৃত মুমিন হয়ে গুনাহমুক্ত জীবন গড়ার তাওফিক দান করুন। আমীন

বিজ্ঞাপন





শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

এই সম্পর্কিত আরও
© ২০২১- সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । হক কথা ২৪.নেট
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )