1. faysalislam405@gmail.com : ফয়সাল ইসলাম : ফয়সাল ইসলাম
  2. tajul.islam.jalaly@gmail.com : তাজুল ইসলাম জালালি : তাজুল ইসলাম জালালি
  3. marufshakhawat549@gmail.com : মারুফ হোসেন : মারুফ হোসেন
  4. najmulnayeem5@gmail.com : নাজমুল নাঈম : নাজমুল নাঈম
  5. rj.black.privateboy@gmail.com : rjblack :
  6. saddam.samad.24@gmail.com : সাদ্দাম হোসাইন : সাদ্দাম হোসাইন
  7. samirahmehd1997@gmail.com : Samir Ahmed : Samir Ahmed
মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১, ০৫:০০ পূর্বাহ্ন

সালাম বিনিময়ে যে ভুল হয়

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিতঃ শনিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ১১ বার পড়া হয়েছে
আসসালামু আলাইকুম

সালাম ইসলামী সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। মহানবী (সা.) মুসলিম সমাজে সালামের প্রসার ঘটানোর নির্দেশ দিয়েছেন। তবে সালাম বিনিময়ের ক্ষেত্রে কিছু ভুল করে থাকে, যা সালামের মাহাত্ম্য নষ্ট করে।

সালাম বিনিময়ে যে ভুল হয়

১. সালাম পাওয়ার অপেক্ষা করা : বহু মানুষের ধারণা ছোটরা ও অধস্তনরা সালাম দেবে এবং তারা উত্তর দেবে। তাই তারা অন্যের সালামের অপেক্ষা করে। ইসলামের শিক্ষা হলো বড়রাও ছোটদের সালাম দেবে; বরং যেকোনো বয়সের মানুষ আগে সালাম দিয়ে মর্যাদা লাভের চেষ্টা করবে।রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘আল্লাহর কাছে উত্তম ব্যক্তি যে প্রথমে সালাম দেয়।’ (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস : ৫১৯৭) এমনকি রাসূল (সাঃ)ও ছোটদের আগে সালাম দিতেন।

২. সালাম শুনেও উত্তর না দেওয়া : কখনো কখনো অপছন্দের মানুষ বা অতি কাছের মানুষ সালাম দিলে তার উত্তর প্রদান করে না এড়িয়ে যায়। অথচ এই সমস্ত ব্যক্তির সালামের উত্তর দেওয়াও ওয়াজিব।

৩. সালামের উত্তর দিয়ে আবার সালাম দেওয়া : উত্তম হলো ব্যক্তি আগে সালাম দেবে। কিন্তু কেউ যদি সালাম দিয়ে ফেলে তবে শুধু সালামের উত্তর দেওয়াই দায়িত্ব। পুনরায় সালাম দেওয়া অগ্রহণযোগ্য।

৪. উত্তর না দিয়ে আবার সালাম : বড়রা সালাম দিলে কেউ কেউ উত্তর না দিয়ে আবার সালাম দেন। এ ধারণা থেকে যে, আগে তার সালাম দেওয়া দায়িত্ব ছিল। অথচ অন্য কেউ সালাম দিলেত তখন উত্তর দেওয়াই ওয়াজিব।

৫. উত্তর না পেলে ‘সালাম দিয়েছি’ বলা : সালাম দেওয়ার পর উত্তর না পেলে সালাম দিছি বলার রীতি আছে। এটা ঠিক নয়। নিয়ম হলো আবার সালাম দেওয়া এবং শ্রোতা সালাম শুনতে পায় এমনভাবে দেওয়া। সালামের উত্তর যেভাবে শুনিয়ে দিতে হয়, তেমনি সালামও শুনিয়ে দিতে হয়।

৬. নিম্ন স্বরে সালামের উত্তর দেওয়া : সালামের উত্তর শুনিয়ে দেওয়া ওয়াজিব। তাই নিম্ন স্বরে বা মনে মনে সালাম দেওয়ার অভ্যাস পরিহারযোগ্য।মিকদাদ (রা.) থেকে বর্ণিত, ‘এক রাতে রাসুলুল্লাহ (সা.) এলেন। তিনি সালাম দিলেন এমন আওয়াজে যে ঘুমন্ত ব্যক্তির ঘুম ভাঙল না এবং জাগ্রত ব্যক্তিরা তা শুনতে পেল।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ২০৫৫)

৭. অসময়ে সালাম দেওয়া : সালাম শুভেচ্ছা ও সৌজন্য বিনিময়ের মাধ্যম। সাক্ষাতের সময় তা বিনিময় করাই নিয়ম। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় মোনাজাত ও জানাজা শেষে সালাম বিনিময় করেন। এটা একটি ভুল প্রচলন।

৮. অচেনা মানুষকে সালাম না দেয়া: কিছু কিছু মানুষ যারা শুধু পরিচিত লোকদেরই সালাম দেয়। অথচ, রাসূল (সাঃ) বলেছেন,চেনা-অচেনা সবাইকে সালাম দেওয়া আদর্শ মুসলমানের বৈশিষ্ট্য। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ২৮)

৯. ভুল উচ্চারণে সালাম দেওয়া : সালাম একপ্রকার ইবাদত। বিশুদ্ধ মনে সালাম বিনিময় করলে ব্যক্তি সাওয়াবের অধিকারী হয়। তাই বিশুদ্ধ উচ্চারণে সালাম প্রদান করা আবশ্যক। কিন্তু বহু মানুষকে ভুল উচ্চারণে সালাম দিতে দেখা যায়। যেমন স্লামালাইকুম, সালামালাইকুম, আস্লামালাইকুম, সেলামালাইকুম ইত্যাদি। সালামের সঠিক উচ্চারণ হলো, ‘আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ’।

আল্লাহ তা’য়ালা আমাদের সঠিক নিয়মে সালাম আদান-প্রদান করার তৌফিক দান করুক।

বিজ্ঞাপন





শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

এই সম্পর্কিত আরও
© ২০২১- সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । হক কথা ২৪.নেট
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )