1. faysalislam405@gmail.com : ফয়সাল ইসলাম : ফয়সাল ইসলাম
  2. tajul.islam.jalaly@gmail.com : তাজুল ইসলাম জালালি : তাজুল ইসলাম জালালি
  3. marufshakhawat549@gmail.com : মারুফ হোসেন : মারুফ হোসেন
  4. najmulnayeem5@gmail.com : নাজমুল নাঈম : নাজমুল নাঈম
  5. rj.black.privateboy@gmail.com : rjblack :
  6. saddam.samad.24@gmail.com : সাদ্দাম হোসাইন : সাদ্দাম হোসাইন
  7. samirahmehd1997@gmail.com : Samir Ahmed : Samir Ahmed
মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১, ০৪:১৯ পূর্বাহ্ন

মশার আক্রমণে অতিষ্ঠ রাজধানীবাসী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিতঃ সোমবার, ১ মার্চ, ২০২১
  • ৯ বার পড়া হয়েছে
Mosquitoes

রাজধানীবাসীরা এখন একটি সমস্যায় অতিষ্ঠ। আর সেটি হলো মশা। সকলেই মশার যন্ত্রণায় নাজেহাল হয়ে পড়ছে। দরজা-জানালা বন্ধ করে রাখা হচ্ছে তারপরও কোনো মুক্তি পাওয়া যাচ্ছে না । কাউকে ঘরে ঢুকানোর জন্য দরজা খুলতেও ভয় লাগে। কারণ দরজা খুললে মানুষের সাথে মশাও ঢুকে পড়ছে ঘরে। মশা নিয়ন্ত্রণে ওষুধ ব্যবহার করা হলেও তাতে কোনো কাজ হচ্ছে না। গবেষণা করে দেখা গেছে যে, অন্য সময়ের থেকে বর্তমানে প্রায় চার গুন মশা বেড়ে গেছে রাজধানীতে। মশা নিয়ে সমালোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। মশা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ধূপ জ্বালাতে দেখা গেছে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। এদিকে রাজধানীবাসীরা রীতিমতো যুদ্ধ করার জন্য নেমে গেছে মশার বিরুদ্ধে। মশার আক্রমণ থেকে বাঁচার জন্য মশারি, কয়েল, অ্যারোসল স্প্রে, ধূপ, মশা মারার ইলেকট্রিক ব্যাট সহ কিনছে বিভিন্ন সরঞ্জাম। জানা যায়, মশা মারার বিভিন্ন সরঞ্জামাদির মূল্য অন্য সময়ের থেকে বর্তমানে প্রায় পাঁচ গুন বেড়ে গেছে। ইলেকট্র্রিক ব্যাট বিক্রি হচ্ছে সবচেয়ে বেশি। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে, গত ১০ মাসের মধ্যে চলতি বছরের জানুয়ারিতে রাজধানীতে প্রায় চার গুণ বেড়ে গেছে মশার ঘনত্ব। রাজধানীতে ছয়টি গবেষণা এলাকায় জানুয়ারিতে প্রতি ডিপে (মশার ঘনত্ব বের করার পরিমাপক) ৬০টিরও বেশি গড়ে মশা পাওয়া যায়। যেখানে অন্য সময়ে পাওয়া যায় ১৫-২০টি মশা। বর্তমানে ৯৯ ভাগই কিউলেক্স মশা। এই কিউলেক্স মশার কামড়ে গোদ রোগ হয়। ফুলে যায় হাত-পা। কিউলেক্স মশার জন্ম হয় নর্দমা, ড্রেন, ডোবার বদ্ধ পচা পানিতে। শীত শেষ হওয়ার পর তাপমাত্রা বেড়ে যায়। ফলে প্রকৃতিতে মশার যে ডিমগুলো থেকে যায় তখন সেগুলো একযোগে ফুটে যায়। আর এই কারণে ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে বেড়ে যায় মশার ঘনত্ব। মশা নিধন করার জন্য বিভিন্ন জায়গায় ওষুধ ছিটিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু তাতেও কোনো সুফল পাওয়া যাচ্ছে না। মশক নিধনে উত্তর সিটি করপোরেশন গতকাল সপ্তাহব্যাপী ক্র্যাশ প্রোগ্রাম শেষ করেছে। এর মধ্যে পরিদর্শন করা হয় ৪৪ হাজার ৯৬৮টি সড়ক, নর্দমা, জলাশয়। এর ভিতর মশার লার্ভা পাওয়া গেছে ২১০ টিতে আর মশার প্রজননস্থল কীটনাশক ব্যবহার করে ধ্বংস করে দেয় ৩০ হাজার ১২৯টি। কিন্তু রাজধানীবাসীরা এখনো রেহাই পাচ্ছে না মশার উপদ্রব থেকে। ড. কবিরুল বাশার বলেন, মশা মারার ওষুধে কাজ না করার কারণ হলো কীটনাশকের একটি নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া। একটানা পাঁচ বছরের বেশি সময় কীটনাশক ব্যবহার করলে তা মশা মারার কাজ ভালোভাবে করতে পারে না। আর তাই পাঁচ বছর পর পর মশা নিয়ন্ত্রণের কীটনাশক পরিবর্তন করা দরকার হয়। তাতে ভালো কীটনাশক ব্যবহারের কারণে মশা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।    

বিজ্ঞাপন





শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

এই সম্পর্কিত আরও
© ২০২১- সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । হক কথা ২৪.নেট
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )