1. faysalislam405@gmail.com : ফয়সাল ইসলাম : ফয়সাল ইসলাম
  2. tajul.islam.jalaly@gmail.com : তাজুল ইসলাম জালালি : তাজুল ইসলাম জালালি
  3. marufshakhawat549@gmail.com : মারুফ হোসেন : মারুফ হোসেন
  4. najmulnayeem5@gmail.com : নাজমুল নাঈম : নাজমুল নাঈম
  5. rj.black.privateboy@gmail.com : rjblack :
  6. saddam.samad.24@gmail.com : সাদ্দাম হোসাইন : সাদ্দাম হোসাইন
  7. samirahmehd1997@gmail.com : Samir Ahmed : Samir Ahmed
মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১, ০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন

পরিবেশ সচেতনতা আবশ্যক

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিতঃ শনিবার, ৩ এপ্রিল, ২০২১
  • ১০ বার পড়া হয়েছে
Pollution

আমাদের এই পৃথিবীতে প্রায় পাঁচশ কোটি মানুষের বাস। এই বিশাল জনসংখ্যার ভার পৃথিবী আর বইতে পারছে না। এর ফলে দেখা দিচ্ছে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিপর্যয়। পরিবেশ বিপর্যয় এমনই একটি। প্রাণী ও পরিবেশের মধ্যে অত্যন্ত গভীর সম্পর্ক বিদ্যমান। এই পরিবেশই আমাদের মায়ের মতো আলো, বাতাস, পানি, খাদ্য দিয়ে প্রতিপালন করে থাকে। কিন্তু এই পরিবেশ আমার নিজের হাতেই আত্মঘাতীর মতো নষ্ট করে চলেছি। বিজ্ঞান মানুষের প্রয়োজনে করে চলেছে নব নব আবিষ্কার। কিন্তু কখনো কখনো এই বিজ্ঞান মানুষকে করেছে অমিত শক্তিধর। বিজ্ঞানের আবিষ্কার একদিকে যেমন আশীর্বাদস্বরূপ অপরদিকে অভিশাপস্বরূপ। সভ্যতার ক্রমবিকাশের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানের অবদান যেমন নির্দ্বিধায় স্বীকার্য তেমনি। বিজ্ঞানের কতিপয় আবিষ্কার মানুষের অস্তিত্বকে নিশ্চিহ্ন করে দেয়ার হুমকি হয়ে দাড়ায়। আমাদের পরিবেশকে করে তোলে দূষিত ও বিষময়। বিশ্ব পরিবেশ আজ ধ্বংশের সম্মুখীন। পরিবেশ দূষণের বর্তমান মাত্রা অব্যাহত থাকলে তা মানুষের জন্য বয়ে আনবে চরম অভিশাপ, দুর্দশা।

এই পরিবেশ দূষণের জন্য দায়ী কে? আমার নিজেরাই এ পরিবেশ দূষণের জন্য দায়ী। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপে প্রাকৃতিক সম্পদ, মাটি পানি, বায়ু ইত্যাদি প্রচণ্ডচাপ সৃষ্টি হচ্ছে। বিজ্ঞান আবিষ্কার করেছে নব নব প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতি। এগুলোর সুফল হচ্ছে শিল্প বিপ্লব। এর কারণে অসংখ্য কলকারখানা, শিল্প প্রতিষ্টান গড়ে উঠেছে। এসব কলকারখানার বিষাক্ত ধোঁয়া দূষিত করছে বায়ু, পানিতে নিক্ষিপ্ত বর্জ্য দূষিত করছে পানি এবং সৃষ্ট উচ্চ শব্দ ঘটাচ্ছে শব্দদূষণ। ‍বিশ্বের রাস্তাঘাটে প্রতিদিন চলছে অসংখ্য যান্ত্রিক গাড়ি। এসব গাড়ি থেকে নির্গত ধোঁয়া ঘটাচ্ছে মারাত্মক বায়ুদূষণ। রাস্তার আশপাশে, বাড়ির আনাচে-কানেচে ময়লা- আবর্জনা ফেলে, পুকুর-ডোবা ঠিকমতো সংরক্ষণ না করার ফলে পচে দুর্গন্ধ ও মশার আবসস্থালে পরিণত হয়ে পরিবেশ দূষণ ঘটাচ্ছে। গ্রামাঞ্চল ও শহরতলিতে পুকুর-ডোবা, নদী-খালের পাশে স্থাপিত কাঁচা পায়খানাও পানিদূষণ ঘটাচ্ছে ব্যাপকভাবে। পারমাণবিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা সৃষ্টি করছে পরিবেশের জন্য বিশাল বর্জ্য। এই পরিবেশ দূষণ হচ্ছে প্রাকৃতিক উপায়ে ও মানবসৃষ্ট কৃত্রিম উপায়ে। প্রাকৃতিক দূষণ বলতে বুঝায় প্রাকৃতিক ভারসাশ্য বিনষ্ট হওয়ার ফলে পরিবেশের অবনতি। অপরদিকে মানুষের ইচ্ছাকৃত ও অনিচ্ছাকৃত পরিবেশগত ক্ষতি হচ্ছে কৃত্রিম উপায়ে। প্রাকৃতিক দূষণের মধ্যে রয়েছে আমাদের মলমূত্র ও বিভিন্ন পচন, বাতাসে সীসার আধিক্য ও কার্বন ডাই অক্সাইড, কার্বন মনোক্সাইড, সালফার ডাই- অক্সাইড ইত্যাদির বৃদ্ধি। কৃতিম দূষণের মধ্যে রয়েছে, রাসায়নিক সার, কীটনাশক, ওষুধপত্র ও প্রসাধনী, প্লাস্টিক প্রভৃতি। বহুদিন ধরে এগুলোর পরিবেশে টিকে থাকে। রোদ, বৃষ্টি, ঝড়-ঝঞ্ঝা স্বাভাবিক পচন প্রক্রিয়া এগুলোর কিছুই করতে পারে না। এগুলো পরিবেশদূষণ করে যাচ্ছে অব্যাহতভবে।

বিজ্ঞাপন





শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

এই সম্পর্কিত আরও
© ২০২১- সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । হক কথা ২৪.নেট
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )