1. faysalislam405@gmail.com : ফয়সাল ইসলাম : ফয়সাল ইসলাম
  2. tajul.islam.jalaly@gmail.com : তাজুল ইসলাম জালালি : তাজুল ইসলাম জালালি
  3. marufshakhawat549@gmail.com : মারুফ হোসেন : মারুফ হোসেন
  4. najmulnayeem5@gmail.com : নাজমুল নাঈম : নাজমুল নাঈম
  5. rj.black.privateboy@gmail.com : rjblack :
  6. saddam.samad.24@gmail.com : সাদ্দাম হোসাইন : সাদ্দাম হোসাইন
  7. samirahmehd1997@gmail.com : Samir Ahmed : Samir Ahmed
মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১, ১২:৫৬ অপরাহ্ন

শিশুরও ব্যক্তিত্ব আছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিতঃ রবিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২১
  • ৭ বার পড়া হয়েছে
Children

সামাজিক অবস্থার সাথে সামঞ্জস্য বিধানের জন্য ব্যক্তির গঠন, আচরণের ধরন, আগ্রহ, ভাবভঙ্গি, ক্ষমতা, সামর্থ্য এবং প্রবণতার বিশেষ ঐক্যই হলো ব্যক্তিত্ব। অনেকে মনে করেন শিশুর আবার ব্যক্তিত্ব কি? না, শিশুরও ব্যক্তিত্ব আছে। শিশুর ব্যক্তিত্ব বড়দের চেয়েও প্রখর। মনোবিঞ্জানী ওয়ারেন (Woaren 1934) বলেন, ‘ব্যক্তিত্ব হলো কোনো ব্যক্তির চিন্তা, অনুভূতি, ইচ্ছা এবং শারীরিক বৈশিষ্ট্যসমূহের সমন্বিত সংগঠন বা এক ব্যক্তিকে অন্য ব্যক্তি থেকে পৃথক করে।’

একজন মানুষের চেহারা, কথা বলার ধরন, প্রকাশভঙ্গি, বাক্যচয়ন, অঙ্গভঙ্গি, বুদ্ধি এসব মিলিয়ে ফুটে ওঠে তার ব্যক্তিত্ব। ব্যক্তিত্ব মানুেষকে আগ্রহী করে সান্নিধ্য লাভে, কোনো কিছু জানতে সাহচর্য পেতে। একজন হীনব্যক্তির মানুষের কাছে কেউ যেতে চায় না। ব্যক্তিত্ববান মানুষের কাছে সবাই ছুটে যেতে চায় তার গুণাবলীর জন্যই। বড়দের আর শিশুদের ব্যক্তিত্বের প্রকাশ একরকম নয়।

একটি ঘটনা বলি। একজন শিক্ষক নার্সারিতে ভর্তি হতে আসা একটি নবাগত ‍শিশুর গাল টিপে জিঞ্জেস করছেন-বাবু তোমার নাম কি? শিশুটি এক ঝটকায় শিক্ষকের হাতটি সরিয়ে দিয়ে বলেছিলো- যাও, তুমি পঁচা। এরপর কটমট করে চাইলো শিক্ষকের দিকে। শিশুর ঐ শিশুককে এরপর যতোবার দেখেছে ততোবার কপাল ও ভুরু কুঁচকে পাশ-কাটিয়ে চলে গেছে। একটি চার বছরের শিশুর ব্যক্তিত্ব হচ্ছে এরকম।

অনেকে প্রথম পরিচয়েই শিশুর গালে, কপালে চুমু খাওয়ার প্রতিযোগিতায় নামেন। মাথায় হাত বুলিয়ে ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার বানিয়ে দেন। কোলে তুলে শক্ত করে ধরে রাখেন। যারাই প্রথম পরিচয়ে এরকমটি করেছেন তারাই শিশুদের কাছে বন্ধুতের আসনটি নিলামে তুলেছেন। শিশুর সাথে চোখের ভাষা, ভুরুর ভাষা, কপালের ভাষা, ঠোঁটের ভাষা আগে বিনিময়ে করুন রেসপন্স পেলে সামনে এগিয়ে যান। না পেলে অপেক্ষা করুন। মনে রাখতে হবে আপনি শিশুটির সাথে একটি দীর্ঘ ও গভীর সম্পর্কে যাচ্ছেন। তার ভালোলাগা, মন্দলাগা বিষয়গুলো আপনার মনের ল্যাবরেটরিতে টেস্ট করুন। তার পছন্দ অপছন্দ জানতে চেষ্টা করুন। এরপর ভাব জমান। দেখবেন শিশুর সাথে আপনার সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। সম্পর্ক গড়ার সময়ে ছোটখাট গির্ফট তাকে দিন। একটু খেলতে চেষ্টা করুন তার সাথে। কিছুদিন গেলেই দেখবেন সে আপনার ভক্তে পরিণত হয়েছে। বাবা-মাকেও শিশুর সাথে কথা বলার সময় তার ব্যক্তিত্বের দিকটি খেয়ার রাখতে হবে। অতিরিক্ত সংবেদনশীল শিশুর ক্ষেত্রে সাবধানি হতে হবে আরো বেশি।

বিজ্ঞাপন





শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

এই সম্পর্কিত আরও
© ২০২১- সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । হক কথা ২৪.নেট
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )