1. faysalislam405@gmail.com : ফয়সাল ইসলাম : ফয়সাল ইসলাম
  2. tajul.islam.jalaly@gmail.com : তাজুল ইসলাম জালালি : তাজুল ইসলাম জালালি
  3. marufshakhawat549@gmail.com : মারুফ হোসেন : মারুফ হোসেন
  4. najmulnayeem5@gmail.com : নাজমুল নাঈম : নাজমুল নাঈম
  5. rj.black.privateboy@gmail.com : rjblack :
  6. saddam.samad.24@gmail.com : সাদ্দাম হোসাইন : সাদ্দাম হোসাইন
  7. samirahmehd1997@gmail.com : Samir Ahmed : Samir Ahmed
মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১, ০১:৪০ অপরাহ্ন

বাবা ছেলের আজব কান্ডঃ গল্প হলেও সত্যি!

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিতঃ শুক্রবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২১
  • ৫ বার পড়া হয়েছে
গল্প হলেও সত্যি!

মারুফ হোসেনঃ

বিঃ দ্রঃ গল্পটি সম্পূর্ন কাল্পনিক এর সাথে বাস্তবের কোনো মিল নেই। তবে এর শিক্ষা সম্পূর্ন বাস্তবমুখী এর সাথে কাল্পনিকতার কোনো মিল নেই।

অনেক কাল আগের কথা, তখন ছিল না তেমন পড়াশোনার জন্য আজকালকার মতো কলম, মার্কার, বই ছাপার মেশিন। তখন কেবল মাত্র সাধারন খাতা ও পেনসিলের আবিষ্কার হয়েছিল। আর বই ছাপা হতো হাতে লিখে। বই লিখতে ব্যবহার হতো দোয়াতের কালি। বই লেখক ছাড়া অন্য কেউ এই কালি ব্যবহার করতো না। তাই শিক্ষকরাও পেন্সিল দিয়েই লিখতেন। সেসময় শিক্ষার প্রসার শুরু হয়েছিল এক প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে। যেখানে ছিল না বর্তমান আধুনিকতার ছোয়া। সেই গ্রামের এক ছাত্র একবার পরীক্ষায় নকল করতে গিয়ে ধরা পরে এবং শিক্ষক তার নম্বর কেটে দেয়। কিন্তু ছেলেটি কক্ষের সকলকে খুব জ্বালাতন করে এবং শিক্ষক পুনরায় তার নম্বর কাটে। এভাবে করতে করতে ছেলেটির নম্বর শেষে গিয়ে দাড়ায় মাইনাস (-) ৫৫। পরীক্ষা হয়েছিল পঞ্চাশে কিন্তু সে পেয়েছে মাইনাস (-) পঞ্চান্ন, এবার বাড়ি গেলে বাবার বকুনির ভয়ে ছেলেটি ৫৫ এর আগের মাইনাস (-) মুছে দেয়। বাড়ি ফেরার পর বাবা খাতা দেখতে চাইলে সে খাতা দেখায় এবং তার বাবা খাতার কভার পৃষ্ঠায় বড় করে লেখা দেখে ৫৫/৫০ । ছেলে ৫০ এ ৫৫ পেয়েছে দেখে বাবা খুশিতে আত্মহারা হয়ে যায় এবং খাতা খুলে দেখার কথা তার মাথায়-ই আসে না। সে খুশিতে সবাইকে মিষ্টি খাওয়াতে থাকে এবং হই-হই রই-রই করতে করতে বিদ্যালয়ের দিকে আগায়। বিদ্যালয়ে পৌছতেই শিক্ষক বাবার এমন কান্ড দেখে ভাবে ছেলে মাইনাস পাওয়ায় শোকে বাবার বুদ্ধি লোপ পেয়েছে। কিন্তু যখন সে জানতে পারে খাতায় মাইনাস নেই শুধু ৫৫ লেখা তখন সে ছেলের বাবাকে সব কথা বলে। মুহুুর্তেই তারা সব বুঝে যায় এবং ছেলের বাবার এমন মূর্খতা দেখে সকলেই তাকে বোকা, গাধা বলে অপমান করতে থাকে।

শিক্ষাঃ আমাদের দেশের অবস্থাও একই। শুধু আমাদের দেশ নয়, পুরো বিশ্বেই আজ প্রায় একই অবস্থা। কেউ কিছু শুনলে মুহুর্তেই বিচলিত হয়ে যায়। বইয়ের প্রচ্ছদ অনেক সুন্দর হলেও, ভিতরকার শয়তানি কথাবার্তা ধ্বংস করে দিতে পারে আপনার মনুষ্যত্ব। এমনি কিছু লোক আছে সমাজে যাদের দেখতে অনেক জ্ঞানী ও বুজুর্গ মনে হলেও তারা এমনভাবে আপনার সামনে কোনো খারাপকে ভালো বা ভালোকে খারাপ বলবে যা আপনি বিশ্বাস করতে বাধ্য হবেন কিন্তু আসলে ব্যাপারটা তার উল্টো। এদের থেকে সাবধান হোন এবং যেকোনো বিষয় সম্পূর্ন জেনে তবেই পদক্ষেপ নিন।

বিজ্ঞাপন





শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

এই সম্পর্কিত আরও
© ২০২১- সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । হক কথা ২৪.নেট
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )