1. faysalislam405@gmail.com : ফয়সাল ইসলাম : ফয়সাল ইসলাম
  2. tajul.islam.jalaly@gmail.com : তাজুল ইসলাম জালালি : তাজুল ইসলাম জালালি
  3. marufshakhawat549@gmail.com : মারুফ হোসেন : মারুফ হোসেন
  4. najmulnayeem5@gmail.com : নাজমুল নাঈম : নাজমুল নাঈম
  5. rj.black.privateboy@gmail.com : rjblack :
  6. saddam.samad.24@gmail.com : সাদ্দাম হোসাইন : সাদ্দাম হোসাইন
  7. samirahmehd1997@gmail.com : Samir Ahmed : Samir Ahmed
মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১, ০১:১৬ অপরাহ্ন

আগের চেয়েও খুব দ্রুত গলে যাচ্ছে সব হিমবাহ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিতঃ শনিবার, ১ মে, ২০২১
  • ৬ বার পড়া হয়েছে
Glacier

বিশ্বের প্রায় সব হিমবাহ দ্রুতগতিতে গলে যাচ্ছে। আর এর কারণ হচ্ছে তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব। বৈশ্বিক সমুদ্রস্তর বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে হিমবাহ গলা পানি যা এই চলতি শতকেই এক-পঞ্চমাংশের বেশি। হিমবাহ গলার হার বাড়তে থাকে বিশ শতকের মাঝামাঝি সময় থেকেই। তবে এখনো বরফ গলে যাওয়ার বিষয়টি ভালোভাবে বোঝা সম্ভব হয়নি। আন্তর্জাতিক গবেষকদের দলটি পৃথিবীর ২ লাখ ২০ হাজার হিমবাহ পর্যবেক্ষণ করেছেন। তবে প্রথমবারের মতো গ্রিনল্যান্ড ও অ্যান্টার্কটিকার বরফের স্তর পর্যবেক্ষণ করা হয়নি। নাসার টেরা কৃত্রিম উপগ্রহের ছবি বিশ্লেষণ করে গবেষকেরা দেখেছেন, বিশ্বের হিমবাহগুলো ২০০০ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে প্রতিবছর গড়ে ২৬৭ বিলিয়ন টন বরফ হারিয়েছে। এতে সমুদ্রে যে পরিমাণ পানি মিশেছে, তা প্রতিবছর সুইজারল্যান্ডকে ডুবিয়ে ফেলতে পারে ৬ মিটার পানির নিচে। ওই সময়ের মধ্যে গবেষকেরা দেখেছেন হিমবাহ গলার হারও অনেক বেড়ে গেছে। হিমবাহ থেকে প্রতিবছর গড়ে ২৯৮ বিলিয়ন টন বরফ গলেছে ২০১৫ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে। সমুদ্রে পানির স্তর বৃদ্ধিতে হিমবাহ গলার বিষয়টি ভূমিকা রেখেছে ২১ শতাংশ। নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, গত দুই দশকে হিমবাহ গলে যাওয়ার গতি দ্বিগুণ হয়েছে। আগের ধারণার চেয়ে এই হার অনেকটাই বেশি। গবেষকেরা বলেছেন, হিমবাহের ভর হ্রাসের নিখুঁত হিসাব বের করা কঠিন। কারণ হিমবাহ এমন স্থানে পাওয়া যায় যেখানে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়ে। এর অর্থ দাড়ায় ২ লাখের বেশি হিমবাহের মধ্যে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হয় মাত্র কয়েক শ হিমবাহ। গবেষকেরা নাসার ডেটাসেট ব্যবহার করে দেখাতে সক্ষম হয়েছেন, ২০০০ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে হিমবাহগুলোর ভর কমেছে ৫ হাজার ৭৩ গিগাটনের (১০০ কোটি টনে ১ গিগাটন) এরও বেশি। এটি ৫৫ কোটি ৩৪ লাখ ৬৫ হাজার ৩৪৬টি আইফেল টাওয়ারের সমান। গবেষণা প্রবন্ধে লেখকেরা লিখেছেন, ২০০০ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত প্রতিবছর হিমবাহ গলার হার দশমিক ৩৬ মিটার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু দেখা যায় এ সময়ের ভিতরে দশমিক ৬৯ শতাংশ পেরিয়ে গেছে। এর ফলে হিমবাহ গলে যাওয়ার বিষয়টি ২১ শতাংশ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়ার ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছে। যা এক ইঞ্চির চার ভাগের এক ভাগ। আলাস্কা, পশ্চিম কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রে হিমবাহ গলছে সবচেয়ে দ্রুতগতিতে। ২০১৫ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে নিউজিল্যান্ডে হিমবাহ গলার হার ৭ শতাংশ বেড়েছে। আলাস্কা ও আল্পসে অবস্থিত হিমবাহগুলো খুব দ্রুতগতিতে গলে যাচ্ছে। হিমবাহ গলার ক্ষেত্রে যেটি সরাসরি প্রভাব ফেলছে তা হলো বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি। জলবায়ু পরিবর্তন হওয়ার মূল নির্দেশক হলো এই বৈশ্বিক উষ্ণতা বেড়ে যাওয়া। গবেষকেরা হিমবাহ গলার কারণ নিয়ে যদিও কোনো গবেষণা করেননি, কিন্তু তারা ওই অঞ্চলে তাপমাত্রা পরিবর্তন হওয়ার বিষয়ের দিকে ইঙ্গিত করেছেন।

বিজ্ঞাপন





শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

এই সম্পর্কিত আরও
© ২০২১- সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । হক কথা ২৪.নেট
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )