1. faysalislam405@gmail.com : ফয়সাল ইসলাম : ফয়সাল ইসলাম
  2. tajul.islam.jalaly@gmail.com : তাজুল ইসলাম জালালি : তাজুল ইসলাম জালালি
  3. marufshakhawat549@gmail.com : মারুফ হোসেন : মারুফ হোসেন
  4. najmulnayeem5@gmail.com : নাজমুল নাঈম : নাজমুল নাঈম
  5. rj.black.privateboy@gmail.com : rjblack :
  6. saddam.samad.24@gmail.com : সাদ্দাম হোসাইন : সাদ্দাম হোসাইন
  7. samirahmehd1997@gmail.com : Samir Ahmed : Samir Ahmed
বুধবার, ২৩ জুন ২০২১, ০৭:৫৯ পূর্বাহ্ন

ভূমিকম্প সম্পর্কে কিছু বিস্ময়কর তথ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিতঃ শনিবার, ২৯ মে, ২০২১
  • ৫ বার পড়া হয়েছে
Earthquake 1

প্রতি বছর সারা পৃথিবীতেই কখনো না কখনো ভূমিকম্প আঘাত হানে। বাংলাদেশেও ভূমিকম্প হয়ে থাকে। দেখা যাচ্ছে এখন প্রায়ই ভূমিকম্পের সংখ্যাও বেড়ে গেছে। কিন্তু প্রাকৃতিক এই ঘটনা সম্পর্কে আমাদের অনেক কিছুই অজানা রয়েছে। এখানে ভূমিকম্প সম্পর্কে কিছু বিস্ময়কর তথ্য তুলে ধরা হলো-

পৃথিবীতে জুড়ে সারা বছর অসংখ্য ভূমিকম্প হয়। প্রতি বছর বড় বড় ১৭টি ভূমিকম্প হয়ে থাকে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা সাতের উপরে। আর একবার মাত্র আট মাত্রার ভূমিকম্প হয় বলে জানান যুক্তরাষ্ট্রে ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জিওলজিক্যাল সার্ভ। ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞদের মতে বছরে লাখ লাখ ভূমিকম্প অনভূত হয়। যার মধ্যে বেশিরভাগই হয়তো বোঝাই যায় না।

ভূমিকম্প হলে দিনের দৈর্ঘ্য স্বাভাবিকের চেয়ে পরিবর্তন হয়ে কমবেশি হতে পারে। ২০০৯ সালের ১১ মার্চ জাপানের উত্তর-পূর্বে বড় ধরনের ভূমিকম্প অনুভুত হয়। এর তীব্রতা ছিল ৮ দশমিক ৯। এর কারণে পৃথিবীর ভরের বণ্টনে পরিবর্তন আসে। সামান্য দ্রুত গতিতে পৃথিবী ঘুরতে থাকে। ফলে কমে যায় দিনের দৈর্ঘ্য। জাপানে ২০০৯ সালের ১১ মার্চের সেইদিন ১.৮ মাইক্রো সেকেন্ড দিন ছোট ছিল।

আমরা জানি ভূমিকম্পের সময় পানিতে ঢেউ উঠে। কিন্তু হয়তো এটা জানি না যে, ভূমিকম্পের পরেও পানিতে ঢেউ উঠতে পারে। ভূমিকম্পের পরেও নদী, পুকুর কিংবা সুইমিং পুলের পানিতেও কখনো কখনো ঢেউ উঠতে দেখা যায়। “একে শ্যাস “ বলা হয়। হয়তো ভূমিকম্প শেষ হয়ে যায়। কিন্তু ভূমিকম্পের পরেও অভ্যন্তরীণ এই পানিতে কয়েক ঘণ্টা তরঙ্গ অব্যাহত থাকতে পারে।

রিং অফ ফায়ার। এটি প্রশান্ত মহাসাগরীয় একটি অঞ্চল। পৃথিবীতে যতো ভূমিকম্প হয় তার ৯০ শতাংশরই উৎস প্রশান্ত মহাসাগরের এই অঞ্চল। ভূমিকম্পের কারণে ১০ ফুট পশ্চিমে সরে যায় চিলির একটি শহর। চিলির কনসেপসিওন শহরে ২০১০ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি ৮.৮ মাত্রার বড় ধরনের এক ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল। এর ফলে চিলির শহরটি ১০ ফুট পশ্চিমে সরে যায়।

২০১৫ সালের ২৫ এপ্রিল ৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে নেপালে। তখন হিমালয়ের অনেক পর্বতের উচ্চতাও কমে যায়। এমনকি খাটো হয়ে গিয়েছিল এভারেস্ট। এক ইঞ্চির মতো উচ্চতা কমে গিয়েছিল।

ভূমিকম্পের আগে ছোট ছোট কম্পন পশুপাখিরা টের পেয়ে যায় বলে ধারণা করেন বিজ্ঞানীরা। ইন্দোনেশিয়া এবং ২০০৪ সালে সুনামির আগে প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেছেন যে তারা অনেক পশু পাখিকে দেখেছেন উঁচু এলাকার দিকে ছুটে যেতে। কারণ ভূমিকম্পের আগে প্রাণীর আচরণে পরিবর্তন ঘটে। 

ভূমিকম্পের কারণ উদঘাটন করেছেন জন মাইকেল নামে ব্রিটেনের একজন প্রকৌশলী। ১৮০০ শতাব্দীর শুরুর দিকে এই তথ্যটি  আবিষ্কার হয়েছে। তাকে ভূকম্পনবিদ্যার একজন জনক বলা হয়। ভূ-পৃষ্ঠের বহু নিচে শিলা-খণ্ডের অবস্থান পরিবর্তনের কারণে ভূমিকম্প হয়ে থাকে বলে তিনি ধারণা করেন।

বিজ্ঞাপন





শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

এই সম্পর্কিত আরও
© ২০২১- সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । হক কথা ২৪.নেট
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )