1. faysalislam405@gmail.com : ফয়সাল ইসলাম : ফয়সাল ইসলাম
  2. tajul.islam.jalaly@gmail.com : তাজুল ইসলাম জালালি : তাজুল ইসলাম জালালি
  3. marufshakhawat549@gmail.com : মারুফ হোসেন : মারুফ হোসেন
  4. najmulnayeem5@gmail.com : নাজমুল নাঈম : নাজমুল নাঈম
  5. rj.black.privateboy@gmail.com : rjblack :
  6. saddam.samad.24@gmail.com : সাদ্দাম হোসাইন : সাদ্দাম হোসাইন
  7. samirahmehd1997@gmail.com : Samir Ahmed : Samir Ahmed
বুধবার, ২৮ জুলাই ২০২১, ০৮:০৯ অপরাহ্ন

বিধিনিষেধ না মানায় মৃত ব্যক্তির জরিমানা

সাদ্দাম হোসাইন
  • প্রকাশিতঃ রবিবার, ৪ জুলাই, ২০২১
  • ৭৯ বার পড়া হয়েছে
মৃত ব্যক্তিকে জরিমানা

সারা দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে কঠোর প্রশাসন। বিনা কারণে ঘর থেকে বের হলে বা দোকানপাট খোলা রাখলেই শাস্তিস্বরূপ দিতে হচ্ছে জরিমানা। কিন্তু কঠোর বিধিনিষেধের নিয়ম ভঙ্গ করায় এবার মারা যাওয়া ব্যক্তিটিও ছাড় পাননি। তাঁকেও গুনতে হয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা। এই মারা যাওয়া ব্যক্তিটি আজ বা গতকাল নয় ১৯৭০ সালে মারা যায়। তার নাম এরফান সরদার।

মাদারীপুরে কালকিনি উপজেলায় ডাসার এলাকায় ঘটেছে এমন এমনই একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা। লকডাউনে সরকারি নির্দেশনা না মেনে এক শিঙাড়ার দোকানি দোকান খোলা রাখার দায়ে ১০০ টাকা জরিমানা দিতে হয়েছে তাঁর মৃত বাবার নামে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গতকাল শনিবার (৩ জুলাই) সকালে কঠোর বিধিনিষেধ কার্যকর রাখতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান কালকিনি উপজেলার ডাসার বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় বিধিনিষেধের আওতামুক্ত দোকান ছাড়াও বেশ কিছু দোকানপাট খোলা রাখা ও বিনা কারণে ঘর থেকে বের হওয়ায় কয়েকজনকে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে জরিমানা আদায় করেন ইউএনও। এ সময় ছালাম সরদারের (৬৬) শিঙাড়ার দোকানও খোলা থাকে। তাই অপরাধে সংক্রমণ রোগ নিয়ন্ত্রণ প্রতিরোধ দমন আইনে তাঁকে ১০০ টাকা আর্থিক জরিমানা করা হয়।

তবে ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানার রসিদে দোষী ব্যক্তির নাম লিখে তাঁর মৃত বাবা এরফান সরদারের নাম লেখা হয়েছে। প্রশাসনের কড়াকড়িতে কোনো উপায় না থাকায় মৃত বাবার হয়েই ১০০ টাকা জরিমানা দেন শিঙাড়ার দোকানি ছালাম সরদার।

ছালাম সরদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সরকারের দেয়া লকডাউনে খুব খারাপ অবস্থায় আছি। ঘরে চাল-ডাল কিছুই নাই। তাই বাধ্য হয়ে দোকানে কিছু শিঙারা বিক্রি করার চিন্তা করি। কিছু কেনাবেচাও করি। হঠাৎ স্যারেরা আইসা আমারে হুটহাট করে জরিমানা করে দিলেন। পরে দেখি তাঁরা আমার নামের পরিবর্তে আমার বাবার নামে জরিমানা করেছেন। খুব কষ্ট পাইছি। ১০০ টাকা কামাইতে পারি না। আর জরিমানা দিতে বোঝেন কত কষ্ট!’

ছালাম সরদার বলেন, তাঁর বাবা এরফান সরদার ১৯৭০ সালে মারা যান। তবু ভ্রাম্যমাণ আদালত এমনটা কেন করলেন, তিনি সেটা জানেন না। প্রশাসনের ভয়ে তিনি ১০০ টাকা জরিমানা পরিশোধ করেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নিয়ম অনুযায়ী জরিমানা রসিদের প্রসিকিউটরের নামের স্থানে ইউএনও বা রাষ্ট্র লেখার বিধান রয়েছে। এ সম্পর্কে জানতে চাইলে কালকিনির ইউএনও মেহেদী হাসান বলেন, ‘উপজেলার বেশ কয়েকটি স্থানে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) যৌথ অভিযানে ১৯টি মামলায় ১৬ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন।’ ডাসার বাজারে মৃত ব্যক্তির নামে জরিমানা আদায়ের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘প্রশাসন দেখলে লোকজন দৌড়াদৌড়ি শুরু করে। অনেকে ভয় পেয়ে নিজের নাম না দিয়ে তাঁর বাবার নামও বলে দেন। তাই হয়তো জরিমানার রসিদ কাটার সময় ভুল হতে পারে।’

প্রসিকিউটরের নামের স্থানে ছালামের নাম কেন? এমন প্রশ্নের জবাবে ইউএনও বলেন, ‘এখানে রাষ্ট্র বা ইউএনও নাম লিখতে হয়। না লিখলেও সমস্যা নেই। তবে মরহুম ছালামের নাম লেখাটা ভুল করে হয়তো ওপরে উঠে গেছে।’

বিজ্ঞাপন





শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই সম্পর্কিত আরও
© ২০২১ - সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । হক কথা ২৪.নেট
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )